দরপতনের শীর্ষ দশে বনানী অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত তিন কোম্পানি

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত সপ্তাহে দরপতনে শীর্ষ দশের তালিকায় রয়েছে সম্প্রতি রাজধানীর বনানীতে এফ আর টাওয়ারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত তিন কোম্পানি। তালিকায় প্রথম, তৃতীয় ও চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে আমরা নেটওয়ার্কস লিমিটেড, আমরা টেকনোলজিস লিমিটেড ও কাশেম ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড।

দরপতনের তালিকায় শীর্ষে থাকা এক সপ্তাহে আমরা নেটওয়ার্কসের দর কমেছে ১৩ দশমিক ৩৫ শতাংশ। বৃহস্পতিবার কোম্পানিটির সমাপনী দর ছিল ৪৮ টাকা ৭০ পয়সা ও সর্বশেষ দর ছিল ৪৯ টাকা।

৩০ জুন ২০১৮ সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে আমরা নেটওয়ার্কস। সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪ টাকা ১ পয়সা ও শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) ৩২ টাকা ৩৩ পয়সা।

চলতি হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) কোম্পানির ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ১০ পয়সা, আগের বছরের একই সময়ে যা ছিল ২ টাকা ৫১ পয়সা। দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৩ পয়সা, আগের বছরের একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ৩৩ পয়সা।

২০১৭ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল আমরা নেটওয়ার্কস। সে বছর কোম্পানিটির ইপিএস ছিল ৩ টাকা ২২ পয়সা।

তালিকার তৃতীয় অবস্থানে থাকা আমরা টেকনোলজিসের গত সপ্তাহে দর কমেছে ১১ দশমিক ২৩ শতাংশ। বৃহস্পতিবার কোম্পানিটির সমাপনী দর ছিল ২৫ টাকা ৩০ পয়সা ও সর্বশেষ দর ছিল ২৫ টাকা ৭০ পয়সা।

৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৮ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে আমরা টেকনোলজিস। সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৬১ পয়সা ও এনএভিপিএস ২৩ টাকা ২৪ পয়সা।

চলিতি হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) কোম্পানির ইপিএস হয়েছে ৯৮ পয়সা, আগের বছরের একই সময়ে যা ছিল ৮৯ পয়সা। দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) ইপিএস হয়েছে ৫১ পয়সা, আগের বছরের একই সময়ে যা ছিল ৪৬ পয়সা।

২০১৭ হিসাব বছরে ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয় আমরা টেকনোলজিস। সে বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয় ১ টাকা ৫২ পয়সা। ২০১৬ ও ২০১৫ হিসাব বছরেও ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল তারা।

এদিকে তালিকায় ৪ নম্বর অবস্থানে থাকা কাশেম ইন্ডাস্ট্রিজের গত সপ্তাহে দর কমেছে ৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ। বৃহস্পতিবার কোম্পানিটির সমাপনী দর ছিল ৩৭ টাকা ৪০ পয়সা ও সর্বশেষ দর ছিল ৩৭ টাকা ৩০ পয়সা।

চলতি হিসাব বছরের প্রথমার্ধে কাশেম ইন্ডাস্ট্রিজের বিক্রি হয়েছে ৯৭ কোটি টাকা, যা আগের হিসাব বছরের একই সময়ে ছিল ১১০ কোটি টাকা। এ সময়ে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ২ কোটি ৮০ লাখ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৫ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। প্রধমার্ধে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৪৮ পয়সা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ১ টাকা। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮ এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩২ টাকা ৮১ পয়সা।

৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৮ হিসাব বছরের জন্য ১২ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। সমাপ্ত হিসাব বছরে ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৫১ পয়সা ও এনএভিপিএস ৩৬ টাকা ২৫ পয়সা। ২০১৭ হিসাব বছরে কোম্পানিটি ১৮ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দেয়। সে বছর ইপিএস ছিল ২ টাকা ১৫ পয়সা।

এছাড়া গত সপ্তাহে দর কমেছে এসএস স্টিল লিমিটেড, সাউথইস্ট ব্যাংক লিমিটেড, মুন্নু জুট স্ট্যাফলার্স লিমিটেড, মেঘনা পেট ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড, বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফিন্যান্স কোম্পানি লিমিটেড ও লিগ্যাসি ফুটওয়্যার লিমিটেডের।

মন্তব্য লিখুন :