পেঁয়াজের সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মুরগি-ডিমের দাম

সংকট থাকায় খুচরা বাজারে হু হু করে বেড়ে যায় পেঁয়াজের দাম। গিয়ে ঠেকে ৮০ টাকায়। পেঁয়াজের মতোই পাল্লা দিয়ে দাম বেড়েছে ফার্মের মুরগি ও ডিমের।

তবে স্থিতিশীল আছে মাছ ও সবজির বাজার। বিশেষ করে বিপুল পরিমাণ ইলিশ থাকায় মাছের বাজার বেশ শান্ত। তবে শীতকালীন আগাম সবজি বিক্রি হচ্ছে চড়া দামেই।

রাজধানীর শান্তিনগর, সেগুনবাগিচা, মালিবাগ, মালিবাগ রেলগেট ও কারওয়ান বাজারে গিয়ে দেখা যায়, ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৪০-১৪৫ টাকা, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ১৩০-১৩৫ টাকা। বয়লার মুরগির দাম বাড়লেও লাল কক ও পাকিস্তানি লেয়ার মুরগি আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। লাল কক মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২১০-২১৫ টাকা এবং লেয়ার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৫০-২৬০ টাকা।

বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি এবং টিসিবির ট্রাক সেলে খুচরা ৪৫ টাকা কেজি বিক্রি করা হলেও আবারও খুচরা বাজারে কেজিতে ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে পিঁয়াজের দর। দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা কেজি। ইন্ডিয়ান (মোটা) ৭০ থেকে ৭৫ টাকায়।

বিক্রেতারা বলছেন, পেঁয়াজের চাহিদার তুলনায় আমদানি এখনও পরিপূর্ণ হয়নি। পেঁয়াজের ঘাটতি রয়েছে। এজন্য দামও বেড়েছে।

এদিকে, টমেটো ৮০ থেকে ১০০ টাকা, গাজর ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে খুচরা বিক্রি হচ্ছে। এ হিসেবে কিছুটা কমেছে এ সপ্তাহে। এক সপ্তাহ আগে টমেটো ছিল ৯০ থেকে ১১০ টাকা কেজি। আর গাজার বিক্রি হয়েছিল ৭০ থেকে ৮০ টাকায়।

একইভাবে কেজিতে পাঁচ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত কমে পটল বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা করে। একইসঙ্গে ঝিঙা ৪০ থেকে ৫০ টাকা, করলা ও উস্তা ৪০ থেকে ৭০ টাকা, কাকরোল ৩৫ থেকে ৫০ টাকা, বেগুন ৩৫ থেকে ৮০ টাকা, ঢেঁড়স ৩০ থেকে ৪৫ টাকা, শসা (হাইব্রড) ৩০ থেকে ৪০ টাকা, শসা (দেশি) ৪০ থেকে ৫০ টাকা, কচুর ছড়া ৪০ থেকে ৫০ টাকা, কচুর লতি ৪০ থেকে ৬০ টাকা, পেঁপে ৩০ থেকে ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

এছাড়া প্রতি পিস বাঁধাকপি ৩০ থেকে ৫০ টাকা, ফুলকপি ২৫ থেকে ৪০ টাকা, লাউ ৪০ থেকে ৬০ টাকা, ঝালি কুমড়া ৩০ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে। তবে অপরিবর্তিত রয়েছে শাকের দাম। প্রতি আঁটি লালশাক ৭ থেকে ১০ টাকা, মুলাশাক ১০ থেকে ১৫ টাকা, পালংশাক ১৫ থেকে ২০ টাকা, কুমড়াশাক ২০ থেকে ৩০ টাকা, লাউশাক ২৫ থেকে ৩৫ টাকা এবং পুঁইশাক ১৫ থেকে ২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মন্তব্য লিখুন :