দেশ-জাতির মঙ্গল কামনায় ইবিতে মঙ্গল শোভাযাত্রা

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে পহেলা বৈশাখ ১৪২৬ উপলক্ষে দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনায় মঙ্গল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ১০টায় এ শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। শোভাযাত্রা ছাড়াও তিন দিনব্যাপি বৈশাখী মেলার উদ্বোধন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জানা যায়, প্রশাসন ভবনের সামনের চত্বর হতে শিক্ষক, কর্মকর্তা কর্মচারী, ছাত্র-ছাত্রী, বিভিন্ন হল বিভাগ, অফিস, বিভিন্ন সমিতি, পরিষদ/ফোরাম এবং সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের স্ব-স্ব ব্যানারসহ অংশগ্রহণে এক বর্ণাঢ্য “মঙ্গল শোভাযাত্রা” অনুষ্ঠিত হয়। শোভাযাত্রার নেতৃত্ব দেন ভিসি প্রফেসর ড. হারুন-উর-রশিদ আসকারী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. শাহিনুর রহমান, ট্রেজারার প্রফেসর ড. সেলিম তোহা ও রেজিস্ট্রার (ভারঃ) এস, এম আব্দুল লতিফসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় সভাপতি, প্রভোস্ট, প্রক্টর, ছাত্র-উপদেষ্টা ও অফিস প্রধানবৃন্দ।

শোভাযাত্রাটি ক্যাম্পাসের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মেলা প্রাঙ্গণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানস্থল বাংলা মঞ্চে গিয়ে শেষ হয়। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানস্থলে ভিসি প্রফেসর ড. রাশিদ আসকারী তিন দিনব্যাপী বৈশাখী মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন।

অনুষ্ঠানের প্রথম দিনে পহেলা বৈশাখ উদযাপন কমিটির আহবায়ক প্রফেসর ড. রেজওয়ানুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভিসি প্রফেসর ড. হারুন-উর-রশিদ আসকারী বলেন, সংস্কৃতিক হচ্ছে বেগবান যা চর্চার বিষয়। আর এই চর্চাটি হয় পহেলা বৈশাখের সার্বজনীন উৎসব বর্ষবরণের মধ্যদিয়ে।

তিনি বলেন, পহেলা বৈশাখ হচ্ছে বাঙালি সংস্কৃতির প্রাণের উৎসব যেখানে নেই কোনো ভেদাভেদ ও বিভাজন। সকল ধর্ম, বর্ণ, পেশার মানুষ এই দিনে সম্প্রতির বন্ধনে মেতে উঠে। সমাজ ও সভ্যতার বিনাশ সৃষ্ঠিকারী অপ-সংস্কৃতির কারণে যেন আমাদের দেশীয় সংস্কৃতির চরম ক্ষতি সাধন না হয় সেদিকটিতে আমাদের সকলকেই খেয়াল রাখতে হবে। কোনো অপশক্তি ও অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বিশ্বাসীরা যেন মাথা তুলতে না পারে। তাদেরকে আমরা অসাম্প্রদায়িক সাংস্কৃতিক চেতনায় রুখে দেবো।

উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল ও বিভাগ এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের আয়োজনে তিনদিন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দুপুর ৩টা হতে রাত ৮টা পর্যন্ত চলবে। রবিবার বিকাল ৩টায় ভারতীয় ১৫ সঙ্গীত শিল্পী সঙ্গীত পরিবেশন করবেন।

মন্তব্য লিখুন :