একসঙ্গে থাকতে না চাওয়ায় দ্বিতীয় স্ত্রীকে হত্যা!

নোয়াখালীর কিশোরী পারভিন আক্তার ফাহিমা (১৭) হত্যার রহস্য উদঘাটন হয়েছে। স্বামীর আগের বিয়ের খবর জানতে পেরে একসঙ্গে থাকতে না চাওয়াতেই তাকে হত্যা করা হয়।

এ হত্যা মামলায় তার স্বামীকে গ্রেপ্তার করেছে নোয়াখালী পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেষ্টিগেশন (পিবিআই)। শুক্রবার মধ্যরাতে চট্টগ্রামে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আটক শেখ সেলিমের (২৯) বাড়ি নড়াইলের লোহাগাড়া উপজেলার ডিগ্রি গ্রামে।

নোয়াখালী জেলা পিবিআইয়ের পরিদর্শক তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, সেলিম চট্টগ্রামের চাটগাঁও থানার মৌলভী পুকুরপাড় এলাকায় থেকে রাজমিস্ত্রির কাজ করেন। পারভিন আক্তার ফাহিমা ওই এলাকায় থেকে পোশাক কারখানায় কাজ করতো। সেখানে তাদের পরিচয় হয়। পরে তারা বিয়ে করে।

তিনি জানান, বিয়ের পর পারভিন জানতে পারেন সেলিমের আরও একজন স্ত্রী ও সন্তান রয়েছে। এ কারণে কারণে সে সেলিমের সঙ্গে থাকতে রাজি না হওয়ায় সেলিম ক্ষিপ্ত হন। এরপর বুধবার (৯ জানুয়ারি) সেলিম নোয়াখালী এসে তাকে মোবাইল ফোনে বাড়ির পাশে ডেকে নেন। সেখানে তাকে ছুরি মেরে হত্যার পর লাশ ফেলে চট্টগ্রাম ফিরে যান সেলিম।

পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, নিহতের ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধারের সময় পেটে বিদ্ধ অবস্থায় একটি ছুরিও উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার পর মোবাইল ফোন ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে সেলিমের অবস্থান নিশ্চিত হয়ে চট্টগ্রামের চাটগাঁও থানার মৌলভী পুকুরপাড়থেকে সেলিমকে আটক করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে সে হত্যার কথা স্বীকার করে।

মন্তব্য লিখুন :