নড়াইলে চাকরি করলে নিয়ম মেনেই করতে হবে: মাশরাফি

সবশেষ জাতীয় নির্বাচনে নড়াইল-২ আসন থেকে আওয়ামী লিগের ব্যানারে নির্বাচিত হন মাশরাফি বিন মুর্তজা। এর পর দ্বিতীয় দফায় নিজের নির্বাচনী এলাকার উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নেয়ার জন্য বিরামহীন দৌঁড়ঝাপ করছেন তিনি।

সদ্য পর্দা নেমেছে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের (ডিপিএল)। লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার মুকুট জিতেছে আবাহনী লিমিটেড। ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ প্রস্তুতি ক্যাম্প। তবে বিশ্বকাপ স্কোয়াডে থাকা লিগে খেলা ক্রিকেটারদের ক্যাম্প থেকে দুদিনের ছুটি দেয়া হয়েছে। কিন্তু বিশ্রাম নেননি মাশরাফি বিন মুর্তজা।

ছুটি পেয়েই নড়াইলে ছুটেছেন তিনি। পরিবার নয়, নিজের এলাকার উন্নয়নকাজের তদারকিতে সেখানে গেছেন বাংলাদেশ ওয়ানডে অধিনায়ক। সেই তদারকিতে আবির্ভূত হয়েছেন অগ্নিমূর্তি রূপে।

গেল ২৪ এপ্রিল নড়াইলে এসেই সুধীজনের সঙ্গে মতবিনিময় করেন মাশরাফি। নানা উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরেন। পরের দিন আধুনিক সদর হাসপাতালে ঝটিকা সফর করেন। সেখানে চিকিৎসা নিতে আসা মানুষের কাছে নানা সমস্যার কথা শুনেন। খোঁজখবর নেন আরো অনেক বিষয়ে। দেখতে পান অসংখ্য অসঙ্গতি, নানা অনিয়ম ও অব্যবস্থপনা। পর্যাপ্ত থাকা সত্ত্বেও ডাক্তার-নার্সদের অনুপস্থিতি হাতেনাতে ধরেন ম্যাশ। এরপরই কড়া হুশিয়ারি দেন।

সেই হাসপাতালের কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের উদ্দেশে মাশরাফি বলেন, আমার নড়াইলে চাকরি করতে হলে নিয়মনীতি মেনে করতে হবে, তা না হলে চাকরি ছেড়ে চলে যান, আমি আপনাদের চলে যেতে হেল্প করবো। অযাথা আমার এলাকা বা দেশের মানুষকে সেবা প্রদানে হয়রানি করার কোনো অধিকার আপনাদের নেই। পরোক্ষভাবে এলাকার সরকারি কর্মকর্তাদের এ ইঙ্গিত দেন তিনি।

হাসপাতালে কোনো দালাল ডুকতে পারবে না, হাসপাতাল চত্ত্বরে বহিরাগত কোনো প্রাইভেট এ্যাম্বুলেন্স অবস্থান করতে পারবে না। এর কোনোটা ব্যতয় ঘটলে কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান সাংসদ। পাশাপাশি হাসপাতালে যতটুকু রিসোর্স রয়েছে তার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে এবং প্রতিনিয়ত জেলা প্রশাসক ও এসপিকে অবহিত করতে নির্দেশ দেন মাশরাফি।

মন্তব্য লিখুন :