নার্স তানিয়া হত্যা: চালকের পরে এবার হেলপারের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে চলন্ত বাসে নার্স শাহীনূর আক্তার তানিয়াকে পালাক্রমে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার স্বর্ণলতা পরিবহনের চালক নূরুজ্জামানের পর এবার হেলপার লালন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আল-মামুনের কাছে লালন প্রায় চারঘণ্টাব্যাপী স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।কিশোরগঞ্জ জজ কোর্ট ইন্সপেক্টর তসফিকুল ইসলাম তৌফিক এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত শনিবার একই আদালতের বিচারকের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় স্বর্ণলতা পরিবহনের বাসচালক নূরুজ্জামান। ওই দিন বাসচালক নূরুজ্জামান আদালতে ১৬৪ ধারায় দেয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জানায়, পথে গাড়িতে ওঠা তার খালাতো ভাই বোরহান, হেলপার লালন এবং সে তিনজনে মিলে তানিয়াকে পালাক্রমে ধর্ষণশেষে হত্যা করে। এর পর দুর্ঘটনার নাটক সাজানোর চেষ্টা করে।

আর এ নিয়ে এ ঘটনায় প্রত্যক্ষভাবে জড়িত তিনজনের মধ্যে দুজন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিলেও ধোয়াশা এজাহার ও মুল মামলার বাইরে থাকা বাসচালক নূরুজ্জামানের খালাতো ভাই অন্যতম ধর্ষক ও হত্যাকারী বোরহানকে নিয়ে।

ইতিমধ্যেই পুলিশ ওই প্রধান আসামি বোরহানকে আটক করেছে বলে চাওর থাকলেও এ বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলছে না পুলিশ।

সোমবার রাত ১০টার দিকে কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরের পিরিজপুর রুটে চলাচলকারী ‘স্বর্ণলতা’ পরিবহনের একটি চলন্ত বাসে নার্স শাহীনুর আক্তার তানিয়া ধর্ষণের শিকার হন। তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করে লাশ বাস থেকে ফেলে দেয়া হয়। এ ঘটনায় তানিয়ার বাবা গিয়াসউদ্দিন বাদী হয়ে বাজিতপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন।

মন্তব্য লিখুন :