বেড়েছে বাঁশ চাষের পরিমাণ, কমছে নদী ভাঙন

খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি উপজেলার ছড়া বা খাল পাড়ের বিভিন্ন স্থানে বেড়েছে বাঁশ চাষের পরিমাণ। বাঁশ চাষের কারণে কমছে নদীর ভাঙন।

খাগড়াছড়ি চেংগী ও চট্টগ্রাম হালদা নদীর সংযোগ ঘটে মানিকছড়ি খালের মাধ্যমে। খাল পাড়ের দুই পাশে বাঁশ গাছ লাগানোর কারণে দিন দিন কমছে ছড়া বা খাল পাড়ের মানুষের বসতবাড়ি ও আবাদি জমি হারানোর তীব্র কষ্ট।

দুইটি নদী মানিকছড়ি খালের মাধ্যমে মিলিত হওয়ার প্রতিবছর বৃষ্টির সময় খাল পারে বসবাসকারী মানুষের শত শত হেক্টর আবাদি জমি ও বসতবাড়ি পানির সঙ্গে বিলিন হয়ে যায়।

মানিকছড়ি খাল পারের বিভিন্ন স্থানে গেলে এখন নজরে পড়বে বাঁশ গাছ আর বাঁশ গাছ। দেশে মোট ৫১ প্রজাতির বাঁশ পাওয়া যায়, তার মধ্যে পার্বত্য জেলাগুলোতে বরাগ, মিতিঞা ও মুলিসহ বেশির ভাগ বাঁশ পাওয়া যায়।

এসব বাঁশের শেকড় মাটির বেশি গভীরে ও মাটির চার পাশে ছড়িয়ে যায় বলে মাটি ক্ষয় কম হয়। এর মাধ্যমে যেমন কমেছে মাটি ক্ষয়ের পরিমাণ তেমনি অনেকে বাঁশ বিক্রি করে প্রচুর টাকা আয় করে।

খাল পাড়ে বসবাসকারী শহিদুল ইসলাম জানায়, আগে বর্ষার সময় খালের পানি আবাদি জমি ও বসতবাড়ির অনেক ক্ষতি করত। এখন খাল পাড়ে বাঁশ গাছ লাগানোর কারণে তেমন কোনো ক্ষতি হয় না।

তিনি আরও বলেন, প্রতি বছর এখান থেকে আমি অনেক টাকার বাঁশ বিক্রি করি।

মন্তব্য লিখুন :