গুরুদাসপুরে সড়ক দখল করে বাজার, জনদুর্ভোগ চরমে

হাটের ভেতরের সরু সড়কের দুই ধার জুড়ে লম্বা লাইনে বসানো হয়েছে কাঁচা বাজার। এ কারণে সপ্তাহের দুই হাট বারে ক্রেতা ও ব্যবসায়ী, ফরিয়াদের যাতায়াতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে পথচারীদেরর। অথচ পাশেই রয়েছে কাঁচা বাজারের নির্দিষ্ট সেড।

নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের নাজিরপুর হাটে তৈরি হয়ে ওই সমস্যা। হাটবার ছাড়াও প্রতিদিনই একই চিত্র দেখা যায়।

সংকট নিরসনে হাট ইজারাদার ফরিদ উদ্দিন সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শওকত রানা লাবুর কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন এলাকাবাসী। ওই অভিযোগের প্রেক্ষিতে বুধবার ইউনিয়ন পরিষদের ব্যবসায়ীদের নিয়ে বৈঠকে বসেন চেয়ারম্যান। বৈঠকে জনদুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে কাঁচা ব্যবসায়ীদের নির্ধারিত সেডে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি। কিন্তু প্রভাবশালী ওই কাঁচা বাজারের ব্যবসায়ীরা চেয়ারম্যানের কথা রাখেননি। পরে তারা চেয়ারম্যানের বিচার না মেনে বেরিয়ে আসেন।

হাট ইজারাদার ফরিদ উদ্দিন জানান, নাজিরপুর হাটের কাপর পট্টিতে যাতায়াতের ওই সড়কজুড়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী মেহেদি, শেখ ফরিদ, শাহ আলমসহ অন্তত ২০ ব্যবসায়ী দোকান দিয়ে ব্যবসা করছেন। এতে করে সাধারণ পথচারীসহ হাটে আসা মানুষদের সমস্যায় পড়তে হয়। ওই সড়কে কোনো পরিবহন চলাচল করতে পারে না। অথচ ওই ব্যবসায়ীদের জন্য হাটের পৃর্ব অংশে নির্ধারিত দুইটি সেড রয়েছে। নিয়ম বহির্ভূতভাবে ওই সেডের একটিতে গোডাউন ও অপরটি ভাড়া দিয়েছেন কাঁচা ব্যবসায়ীরা। তি

অভিযুক্ত ব্যবসায়ী মেহেদি, শেখ ফরিদ, শাহ আলমসহ অন্তত দশ ব্যবসায়ী দাবি করেন, তারা দীর্ঘদিন ধরে ওই সড়কে দোকান দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন। কিন্ত ইজাদার তাদের অন্যায়ভাবে সেখান থেকে তুলে দিতে চাচ্ছেন।

নাজিরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শওকত রানা লাবু বলেন, ইজারাদারের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ব্যবসায়ীদের ডাকা হয়েছিল। জনদুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে ওই কাঁচা ব্যবসায়ীদের সেডে বসার কথা বললে তারা তা মানেননি। তাই বাধ্য হয়ে তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বিষয়টি অবহিত করেছেন।

গুরুদাসপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান অভিযোগ প্রাপ্তির বিষয় নিশ্চিত করে বলেন, হাট পরিদর্শন করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্তব্য লিখুন :