মাদ্রাসা শিক্ষকের কাণ্ড!

যশোরের শার্শায় মাদ্রাসা ছাত্র শাহ পরান হত্যার রহস্য উদঘাটিত হয়েছে। বলাৎকার করতে না পেরে তাকে হত্যা করেন মাদ্রাসা শিক্ষক হাফিজুর রহমান।

মঙ্গলবার রাতে খুলনা জেলার দিঘলিয়া আরাবিয়া কওমি মাদ্রাসা থেকে হাফিজুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তিনি জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার দায় স্বীকার করেন।

এসআই রশিদ হাফিজুরের বরাতে বলেন, রোজার সময় তারাবি শেষে মাদ্রাসায় নিজ কক্ষে ওই শিশুকে হাফিজুর মাথা টিপে দেওয়ার কথা বলে ডেকে নেন। পরে বলাৎকারের চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। পরদিন ওই শিশুকে নিজ বাড়িতে ডেকে নেন। সেখানে তাকে নির্যাতন করে নির্মমভাবে হত্যা করে লাশ খাটের নিচে লুকিয়ে রেখে আত্মগোপন করেন।

হাফিজুর গোগা গাজিপাড়া গ্রামের মুজিবর রহমান মোল্লার ছেলে। বেনাপোলের কাগজপুকুর খেদাপাড়া হিফজুল কোরআন মাদ্রাসা ও এতিমখানার শিক্ষক ও মসজিদের ইমাম তিনি। নিহত শাহ পরান কাগজপুকুর গ্রামের শাহাজান আলীর ছেলে।

শার্শা থানার ওসি এম মসিউর রহমান বলেন, বুধবার দুপুরে হাফিজুরকে যশোর আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালতের নির্দেশে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মন্তব্য লিখুন :