ডোমারে নৈশ প্রহরী নিয়োগ নিয়ে ২ প্রার্থীর দ্বন্দ্ব

নীলফামারীর ডোমার উপজেলার পাঙ্গা - মটুকপুর ইউনিয়নের ৪১নং দক্ষিণ মটুকপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরী কাম নৈশ প্রহরী নিয়োগে দুই প্রার্থীর বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ দিয়েছেন অভিভাবকরা ।

প্রার্থীরা হলেন- উপজেলার পাঙ্গা-মটুকপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ মটুকপুর গ্রামের ময়নুল ইসলামের ছেলে মাসুদ রানা ও একই গ্রামের সামছুল হক আমিনের ছেলে মামুনুর রশিদ ।

মাসুদ রানার চাচা তইবুল ইসলামের লিখিত অভিযোগ থেকে জানা যায়, সামছুল হকের ছেলে মামুনুর রশিদের বিরুদ্ধে একই এলাকার এমদাদুল হক চাঁদাবাজি এবং ছিনতাই মামলা গত দায়ের করেন। মামলাটি বর্তমানে নীলফামারী চীফ জুডিশিয়াল আদালতে বিচারাধীন রয়েছে ।

এদিকে, একই এলাকার আব্দুর রহমানের উপজেলা নির্বার্হী কর্মকর্তা বরাবরে লিখিত অভিযোগে জানা যায়, তার ছেলে ফারুক দপ্তরী কাম প্রহরী নিয়োগ পদে আবেদন করেন। কিন্তু একই এলাকার সামছুল হকের ছোট ভাই ও পাঙ্গামটুকপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের পাঙ্গা-মটুকপুর  ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম দলীয় প্রভাবে ভয় দেখিয়ে তাকে বলেন, তোর ছেলের কার্ড আমি বন্ধ করে দিয়েছি। শিক্ষা অফিসে গিয়ে কোন লাভ হবে না।

তিনি উল্লেখ করেন, রফিকুলের ভাতিজা সামছুল হকের ছেলে মামুনুর রশিদ একজন মাদকসেবী। সে আইপিএল- বিপিএল জুয়ার সঙ্গে জড়িত। তার কারণে এলাকায় মাদক ও জুয়াতে অনেক ছেলে ও পরিবার নিঃস্ব হয়েছে। ওই প্রার্থীকে নিয়োগ দিলে শিক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

এ ব্যাপারে রফিকুল ইসলাম বলেন, আমার ভাতিজা মামুনুর রশিদ প্রার্থী ঠিকই কিন্ত, আব্দুর রহমানের অভিযোগ সঠিক নয়।

দপ্তরী কাম প্রহরী নিয়োগ কমিটির সদস্য সচিব ডোমার উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আমীর হোসেন বলেন, ওই বিদ্যালয়ে দুই জন প্রার্থীর বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ পেয়েছি। নিয়োগ কমিটির বৈঠকে অভিযোগগুলোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

মন্তব্য লিখুন :