আ’লীগ নেতার বাড়িতে ককটেল হামলা

জয়পুরহাট পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ হোসেন হিমুর বাসায় ককটেল হামলার ঘটনা ঘটেছে।শুক্রবার ভোর রাতের দিকে বাসার পেছন দিক থেকে কে বা কারা পরপর তিনটি ককটেল ছুঁড়ে পালিয়ে যায়। এতে তেমন কোনো ক্ষয়ক্ষতি না হলেও তাৎক্ষণিক আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।

এ ঘটনার পরপরই খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সেখান থেকে একটি অবিষ্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করেছে।উদ্ধারকৃত ককটেলটি পরীক্ষা করে দেখা যায়, প্রায় ৮-১০ইঞ্চি লম্বা বাঁশের চোঙায় ভারতীয় উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন একাধিক পটকার সমন্বয়ে এই ককটেল তৈরি করা হয়েছে।

তবে কারা কী উদ্দেশ্যে তার বাসায় এই অতর্কিত ককটেল হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে সে সর্ম্পকে স্পষ্ট করে কিছু না বললেও এ ব্যাপারে থানায় জিডি করবেন বলে সাংবাদিকদের জানান এ আওয়ামী লীগ নেতা।

শুক্রবার দুপুরে জয়পুরহাট প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে জয়পুরহাট পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ হোসেন হিমু নিজে তার বাসায় ককটেল হামলার ঘটনাটির বর্ণনা দেন।

গত কয়েক মাস থেকে জয়পুরহাট পৌর এলাকায় নিয়মিত গণসংযোগের সঙ্গে তার বাসায় ককটেল হামলার ঘটনার কোনো যোগসূত্রতা রয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, মেয়রের ভোট করা আমার উদ্দেশ্য নয়। এ সরকারের ৪র্থ মেয়াদের ৬ মাস অতিবাহিত হয়েছে। বর্তমানে দলের কর্মকাণ্ড অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই কেন্দ্রের নির্দেশে দলের সদস্য সংগ্রহ অভিযান শুরু হয়েছে।

তিনি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আদর্শের স্বপক্ষে সৎ, যোগ্য ও আদর্শবান নতুন সদস্য সংগ্রহের বিষয়টিকে সামনে রেখে আমি গণসংযোগ বা পৌরবাসীর সঙ্গে মতবিনিময় চালিয়ে যাচ্ছি।

উদ্দেশ্য হলো ইতিপূর্বে বিভিন্ন সময়ে যারা দলে অনুপ্রবেশ করেছেন, তাদের বর্তমান অবস্থান এবং দলীয় আদর্শে অনুপ্রানিত হয়েও যারা বঞ্চিত, দলের পুরনো সে সব শুভাকাঙ্খীদের খোঁজখবর নেয়া এবং দলের নতুন সদস্য হিসেবে অর্ন্তভুক্ত করা। এ সব গণসংযোগ করতে গিয়ে কোনো কোনো এলাকার এবং ওই সব এলাকার মানুষের কারও কারও ব্যক্তিগত সমস্যা কাছ থেকে দেখে তা সমাধানের চেষ্টা করছি।

এতে সাধারণ মানুষের সঙ্গে রিলেশন তৈরি হয়েছে। তারা আমাদের দলের প্রতি অনুগত হচ্ছেন। এখন আমার এ গণসংযোগ করা দেখে কোনো মহল ঈর্ষান্বিত হতেই পারে। তবে দলের স্বার্থে এ সব গণসংযোগ অব্যাহত থাকবে বলে জানান জয়পুরহাট পৌর আওয়ামী লীগ সম্পাদক মাহমুদ হোসেন হিমু।


মন্তব্য লিখুন :