কক্সবাজারে ৩ শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ী বন্দুকযুদ্ধে নিহত

কক্সবাজারের টেকনাফ ও উখিয়ায় পৃথক ঘটনায় তিন মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন।

সোমবার (২৯ জুলাই) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে টেকনাফের বাহারছড়ার উত্তর শীলখালি মেরিনড্রাইভ সড়ক র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে এবং উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের চিতাখোলা নামক এলাকায় গুলিবিদ্ধ এক যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহতরা হলেন, টেকনাফের সাবরাং লেজিরপাড়ার বশির আহমদের ছেলে আবদুর রহমান (৪২), রামুর গোয়ালিয়া পাড়া কুনিয়া গ্রামের কবির আহমদের ছেলে ওমর ফারুক (৩১) ও উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের পশ্চিম পাড়া গ্রামের মৃত নুর মোহাম্মদের ছেলে জসিম উদ্দিন (৩৫)।

র‌্যাব সূত্র জানায়, র‌্যাব-২ এর কাছে খবর ছিল টেকনাফ থেকে ইয়াবার একটি চালান প্রাইভেটকারে করে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হবে। এই খবরের ভিত্তিতে র‌্যাবের একটি দল আগে থেকে টেকনাফের মেরিন ড্রাইভে অবস্থান নেয়। সেখানে তারা দ্রুতগামী একটি প্রাইভেটকারকে থামানোর সংকেত দেয়। কিন্তু র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে ওই গাড়িতে থাকা ইয়াবা কারবারিরা র‌্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এ সময় আত্মরক্ষার্থে র‌্যাবও পাল্টা গুলি চালায়। এক পর্যায়ে মাদক ব্যবসায়ীরা পালিয়ে গেলে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দুই মাদক ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করে টেকনাফ হাসপাতালে আনা হয়। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আহত ব্যক্তিদের উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করেন। হাসপাতালে নিয়ে আসার পথে তারা মারা যান।

র‌্যাব-২ এর কোম্পানি কমান্ডার (এসপি) মহিউদ্দিন ফারুকী জানান, নিহতরা শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ী। র‌্যাব এর অভিযানে ঘটনাস্থল থেকে ৩০০ বোতল ফেনসিডিল, একটি বিদেশি পিস্তল, চার হাজার পিস ইয়াবা, চার রাউন্ড গুলি এবং একটি প্রাইভেট কার জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় র‌্যাবের নায়েক আবদুর রহমান, সৈনিক লিটন ও নুরুল ইসলাম আহত হয়েছেন।

উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল মনসুর জানান, একটি লাশ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় লোকজন পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশটি উদ্ধার করে। স্থানীয় লোকজনের তথ্য মতে জানা যায়, সে পশ্চিম পালংখালী মৃত নুর মোহাম্মদের ছেলে। তার শরীরে গুলির চিহ্ন রয়েছে। কিন্তু কি কারণে, কে বা কারা তাকে হত্যা করেছে তা এখনো জানা যায়নি। তবে নিহত জসিম ইয়াবা ও মাদক ব্যবসার সাথে সম্পৃক্ত ছিল বলে গ্রামবাসি জানিয়েছেন।

মন্তব্য লিখুন :