কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে ভেসে আসা ৬ মরদেহর সবাই বাংলাদেশি

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের সীগাল ও শৈবাল পয়েন্ট থেকে ছয়টি অজ্ঞাতনামা লাশ উদ্ধার করেছে কক্সবাজার মডেল থানা পুলিশ। এসময় ট্রলারে থাকা দুইজনকে সৈকতের শৈবাল পয়েন্ট থেকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। 

আহতদের একজনের নাম মনির মাঝি, অপরজন জুয়েল। তাদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। তারা ভোলার বাসিন্দা বলে জানালেও বিস্তারিত পরিচয় এখনো পাওয়া যায়নি।

বুধবার (১০ জুলাই) ভোর সাড়ে তিনটা ও সকাল সোয়া ৮টার দিকে পৃথকভাবে এসব মরদেহ উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছেন কক্সবাজার সদর থানায় ওসি (তদন্ত) মো. খায়রুজ্জামান।

ওসি খায়রুজ্জামান জানান, রাতে বীচে থাকা কর্মীরা সৈকতে মরদেহ ভেসে আসার খবর দিলে পুলিশ সী-গাল পয়েন্টে গিয়ে ভোরে চার মরদেহ উদ্ধার করে। পরে সকাল সোয়া ৮টার দিকে ভেসে আসে আরও দুইটি মরদেহ। 

ট্রলার থেকে মুমূর্ষ অবস্থায় উদ্ধার হওয়া জেলে জুয়েল জানান, গত ৭ জুলাই ভোলা থেকে তারা ১৫ জন ট্রলারটি নিয়ে বের হন। বৈরী আবহাওয়ায় পড়ে তাদের ট্রলার ডুবে গেছে এতটুকু মনে আছে তার। এরপর তারা কোথায় গেছে কি অবস্থা হয়েছে তার কিছুই মনে নেই।

উদ্ধার হওয়া জেলের ভাষ্য অনুযায়ী এখনও ৭ জেলের সন্ধ্যান পাওয়া যায়নি।

নিহতদের মরদেহগুলো কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। তাদের পরিচয় সনাক্তের কাজ চলছে বলে উল্লেখ করে ওসি খায়রুজ্জামান আরও বলেন, মরদেহের সংখ্যা বাড়তে পারে। সাগরে আরও ভাসমান মরদেহ দেখা যাওয়ার তথ্য এসেছে। পুলিশের টিম ঘটনা স্থলে পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সমুদ্রে চলছে মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা। তবুও পেটের তাগিদে নিষেধাজ্ঞা না মেনে অনেক জেলে দলবেধে চুরি করে গভীর রাত কিংবা ভোররাতে সাগরের উপকূলের কাছাকাছি মাছ আহরণে যায়। সমুদ্রে ৩নং সতর্ক সংকেত থাকার পরও ভোলার জেলেরা মাছ আহরণে যায়। বৈরী আবহাওয়ার কারণে তাদের ট্রলারটি ডুবে যায়।

মন্তব্য লিখুন :