ধর্ষণের শিকার নাতনি, শোকে মৃত্যু দাদার, মীমাংসার চাপ ধর্ষকের

কুড়িগ্রামের রাজীবপুর উপজেলার মোহনগঞ্জ ইউনিয়নে সাখাওয়াত হোসেন নামের এক আ.লীগ নেতার বিরুদ্ধে এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ ও ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার অভিযোগ উঠেছে।    

ধর্ষক সরকারি দলের নেতা হওয়ার কারণে নির্যাতিত পরিবারটির ওপর প্রভাব বিস্তার করে এবং থানা পুলিশকে ম্যানেজ করে বর্বরোচিত ওই ঘটনা ধামাচাপা দেয়া হচ্ছে বলে সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেছেন ধর্ষণের শিকার মেয়েটির পরিবারের সদস্যরা।

এদিকে, আদরের নাতনীর এই ঘটনায় শোক সইতে না পেরে তার দাদা মঙ্গলবার সকালে মৃত্যুবরণ করেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুল বারেক।    

এদিকে এ ঘটনার চারদিন পেরিয়ে গেলেও থানায় কোনো মামলা হয়নি। শিশু ধর্ষণর মতো একটি জঘন্য অপরাধ সংঘটিত হওয়ার পর অভিযুক্ত লম্পট প্রকাশ্য ঘুরে বেড়ানোর ফলে এলাকাবাসী'র মনেও নানা প্রশ্ন ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়ছে।

এদিকে শিশুটির উপর এই নির্যাতনের প্রতিবাদে ও ধর্ষকের শাস্তির দাবিতে আজ রাজীবপুর উপজেলা পরিষদ চত্বরে মানববন্ধন করেছে মুক্তির ডাক নামে একটি সংগঠন।      

রাজীবপুর উপজলার পাটাধোয়া পাড়া গ্রামের তৃতীয় শ্রেণির ওই ছাত্রীকে শনিবার (১৭ আগস্ট) রাতে নিজর বাড়িতে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে প্রতিবেশী সাখাওয়াত হোসেন। সে স্থানীয় ওয়ার্ড আ.লীগ নেতা। এরপর শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রথমে রাজীবপুর উপজলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে জামালপুর সদর হাসপাতাল চিকিৎসা প্রদানসহ ডাক্তারি পরীক্ষা করা হয়।

নির্যাতিত শিশুটির বাবা সাংবাদিকদের বলেন, আমরা গরীব মানুষ। ওরা সরকারি দল করে। মামলা করতে না করে। থানায় অভিযোগ দিলাম পুলিশ মামলা রেকর্ড করে না।

মামলা না রেকর্ড করার বিষয়ে জানতে চাইলে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রুহানী বলেন, ঘটনা জানার পর আমি নির্যাতিত পরিবারর বাড়িতে ও হাসপাতালে গিয়েছিলাম এবং তাদের অভিযোগ নিয়ে থানায় আসতে বলেছি। আজ মঙ্গলবার শিশুটির বাবা অভিযোগ দিয়ে গেছে। তব এখনও মামলা রেকর্ড করা হয়নি। ডাক্তারি রিপোর্ট পেলেই মামলা রেকর্ড করব।

মন্তব্য লিখুন :