নওগাঁয় ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রয় শুরু

নওগাঁয় সরকারের খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির আওতায় অতি দরিদ্রদের মাঝে খোলা বাজারে (ওএমএস) চাল বিক্রি শুরু করা হয়েছে।

সোমবার থেকে অতি দরিদ্র পরিবারের কার্ডধারী ব্যক্তিদের মাঝে ১০ টাকা কেজি দরে ৩০ কেজি করে চাল বিক্রি করা হচ্ছে।

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ কর্মসূচির আওতায় অতি দরিদ্র পরিবারের কার্ডধারী ব্যক্তিরা ১০ টাকা করে ৩০ কেজি করে চাল কিনতে পারবেন। প্রতিজন ডিলার ১ মেট্টিকটন চাল বিক্রি করতে পারবেন। শুক্রবার ছুটির দিন ব্যতিত সপ্তাহের প্রতিদিনই এ কর্মসূচি চলবে।

এদিকে অতিদরিদ্র মানুষদের ডিলারের দোকানগুলোতে চাল কিনতে উপড়ে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। জেলার ১১টি উপজেলার ৯৯টি ইউনিয়নে ২০৩ জন ডিলারের মাধ্যমে ১ লাখ ১৮ হাজার ৯২৮ জন কার্ডধারী অতিদরিদ্রদের মাঝে এই চাল বিক্রি করা হচ্ছে।

জেলার বিভিন্ন এলাকার কার্ডধারী অতিদরিদ্র মানুষরা বলেন, বছরের ইরি-বোরো ও রোপা-আমন ধান চাষের সময় বাজারে চালের দাম অনেক বেশি থাকে। তাই আমাদের মতো দিনমজুর ও খেটে খাওয়া গরীব মানুষদের পক্ষে বেশি দামে বাজার থেকে চাল কিনে খাওয়া খুবই কষ্ট্যসাধ্য হয়ে পড়ে। কিন্তু শেখ হাসিনার দেওয়া ১০ টাকা কেজি দামে চাল পেয়ে আমরা খুবই খুশি ও আনন্দিত।

রাণীনগর উপজেলার ভাটকৈ বাজারের ডিলার মন্টু সেপাই বলেন, সরকারের এই খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি চালু হওয়ায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অতিদরিদ্র মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

সদর উপজেলার বোয়ালিয়া ইউনিয়নের ডিলার আবু হাসান বলেন, এই ভাবে বছরের অর্ধেক সময় যদি সরকার কম দামে চাল বিক্রয়ের কার্যক্রম হাতে নিত তাহলে খেটে খাওয়া গরীব মানুষদের জন্য খুবই ভালো হতো। আমরা নিয়ম অনুসারে সুশৃঙ্খলভাবে অতিদরিদ্রদের মাঝে এই চাল বিক্রয় করছি।

নওগাঁ জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা জিএম ফারুক হোসেন পাটোয়ারী বলেন, সরকারের বিভিন্ন ভিশন বাস্বায়ন করাই আমাদের মূল কাজ। খোলা বাজারে ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রি প্রধানমন্ত্রীর একটি বড় পদক্ষেপ। ইতিমধ্যেই আমরা সকল নিয়ম-কানুন মেনে এই চাল বিক্রি করার সকল প্রস্তুতি শেষ করে চাল বিক্রয় শুরু করা হয়েছে।

মন্তব্য লিখুন :