সেই বৃদ্ধা ছখিনা বেগমের দায়িত্ব নিলেন মোরেলগঞ্জের ইউএনও

বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর অবশেষে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জের ১০৪ বছর বয়সী সেই বৃদ্ধা ছখিনা বেগমের সকল দায় দায়িত্ব নিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)। 

বারইখালী ইউনিয়নের উত্তর সুতালড়ী গ্রামের মৃত আফেল উদ্দিনের স্ত্রী ছখিনা বেগম ১০৪ বছর বয়সেও কোন প্রকার সরকারি সাহায্য পাননি। বিভিন্ন গণমাধ্যমে এমন সংবাদ প্রকাশের পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান আজ রবিবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে ওই বৃদ্ধা নারীকে খুঁজে তার অফিসে আনেন। এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তাকে ডেকে ছখিনা বেগমের নামে বয়স্ক ভাতার কার্ড ইস্যু করান। 

ছখিনা বেগমের কথিত মতে তার বয়স এখন ১০৪ বছর। স্বামী মারা গেছেন ১৯৭৩ সালে। ৪ ছেলে মেয়ে যে যার মত বিভিন্ন শহরে দিনমজুরি খেটে সংসার চালায়। বর্তমানে ওই গ্রামেই থাকেন তবে নিজের বলে কিছু নেই। থাকেন দরিদ্র নাতি সবুজ শেখের ঘরে। বিভিন্নজনের দেওয়া সাহায্যে চলে তার নৈমিত্তিক খরচ। 

ছখিনা বেগমকে নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচার হলে বিষয়টি নজরে আসে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামানের। সরকারি সুবিধা বঞ্চিত ওই হতদরিদ্র বয়স্ক নারী ছখিনা বেগমকে নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এনে সম্মানের সাথে তার হাতে তুলে দেওয়া হয় বয়স্ক ভাতার কার্ড, ৩০ কেজি চাল ও দু’পিচ শাড়ী। 

নির্বাহী কর্মকর্তা এ সময় বলেন, ছখিনা বেগম এমন বৃদ্ধা বয়স পর্যন্ত সাহায্যের আওতায় আসেনি এটা দু:খজনক। এখন থেকে তার সকল দায়িত্ব আমি নিলাম। বিষয়টি নজরে আনার জন্য তিনি গণমাধ্যম কর্মীদেরকে ধন্যবাদ জানান।

মন্তব্য লিখুন :