অভিযান চলছে ঢাকায়, আতঙ্ক রাজশাহীতে

ক্ষমতাসীন দলের সহযোগি সংগঠনের নেতাদের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে অভিযান চলছে ঢাকায়। তবে এর প্রভাব পড়ছে রাজশাহীতেও। অভিযান আতঙ্কে রাজশাহীর টেন্ডারবাজ নেতাদের অনেককেই প্রকাশ্যে দেখা যাচ্ছে না।

রাজশাহীতে সক্রিয় একাধিক সিন্ডিকেটের হোতা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের অনেক নেতাকেই প্রকাশ্যে দেখা যাচ্ছে না। কেউ কেউ ইতোমধ্যেই চিকিৎসা ভিসা নিয়ে ভারতে পাড়ি জমিয়েছেন। আবার অনেকেই রাজশাহী থেকে ঢাকায় গিয়ে অবস্থান করছেন।

সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের টেন্ডার, সীমান্তের বিট খাটাল এবং গরু ও মাদক চোরাচালান সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে থাকা এসব নেতা গত ১০ বছরে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

অনেক নেতাই নগরে গড়ে তুলেছেন বহুতল ভবন, বাড়ি ও বড় বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। প্রত্যেকের রয়েছে ব্যক্তিগত চেম্বার। এ সব চেম্বার দিনরাত সরগরম থাকলেও গত ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে কেউ আর চেম্বারে বসছেন না। চেম্বারে যেতে নিষেধ করে দেয়া হয়েছে তাদের লোকজনকেও।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজশাহীতে টেন্ডারবাজির বড় ক্ষেত্র পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের সদর দপ্তর। এ দপ্তরে বছরে শত শত কোটি টাকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের টেন্ডার হয়। অভিযোগ রয়েছে, গত ১০ বছর ধরে যুবলীগের এক শীর্ষ নেতার সঙ্গে সিন্ডিকেট করে নগর আওয়ামী লীগের আরেক প্রভাবশালী নেতা ও তার ভাগ্নে একচেটিয়াভাবে নিয়ন্ত্রণ করে আসছে রেলওয়ের শত শত কোটি টাকার টেন্ডার। তাদের সিন্ডিকেটে রয়েছেন মহানগর আওয়ামী লীগের মধ্যমসারির কয়েকজন নেতাও।

ত্রিমুখী এই সিন্ডিকেট টেন্ডারগুলো ভাগবাটোয়ারা করে হাতিয়ে নিয়েছে কোটি কোটি টাকা। এসব নেতারা গত ১০ বছরে নগরে গড়ে তুলেছেন বহুতল ভবন, বড় বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। বিভিন্ন স্থানে কিনেছেন বিপুল পরিমাণ জমি ও বাড়ি। রেলের টেন্ডার সিন্ডিকেটের হোতাদের প্রকাশ্যে আর দেখা যাচ্ছে না। এদের অনেকেই ইতোমধ্যেই চিকিৎসা ভিসা নিয়ে ভারতে পাড়ি জমিয়েছেন বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছেন।

মন্তব্য লিখুন :