নরসিংদীর মাদক সম্রাট কালাম গ্রেপ্তার

অবশেষে নরসিংদীর বহুল আলোচিত কুখ্যাত মাদক সম্রাট আবুল কালাম ধরা পড়েছে। ২৫০ পিস ইযাবাসহ হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

জানাগেছে, মনোহরদী থানার প্রতাবমহল গ্রামের হাজী আব্দুল হাইয়ের পুত্র আবুল কালাম একজন পেশাদার অপরাধী। সে নরসিংদীর নারী ব্যবসার একজন মূল হোতা। পুলিশের সহযোগী পরিচয়ে আবুল কালাম নরসিংদী শহরে  আস্তানা গেড়ে অবাধে মাদক ও নারী ব্যবসা চালিয়ে আসছিল।

পুলিশের প্রতিবেদন অনুযায়ী সে অবাধে মাদক ব্যবসা করে নরসিংদীর যুব সমাজকে বিপথে ঠেলে দেয়।

নরসিংদীর বিশিষ্ট আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মী অ্যাডভোকেট শিরিন আক্তার শেলী জানিয়েছেন, আবুল কালাম ডিবি দারোগা আব্দুল গাফফারের সোর্স হিসেবে তার পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানে অংশ নিত। দারোগা আব্দুল গাফফারের সহযোগী হিসেবে বিভিন্ন অভিযানে কাজ করার সুযোগ পেয়েছে। সে নিজেকে পুলিশের লোক হিসাবে পরিচয় দিতে থাকে এবং এই পরিচয়ের আড়ালে সে গড়ে তোলে তার মাদক ও নারী ব্যবসা।

সম্প্রতি মাদক সম্রাট আবুল কালামের মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন কুকীর্তির কথা নরসিংদীর ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর হলেতাকে গ্রেপ্তার করার নির্দেশ প্রদান করা হয়। এরই প্রেক্ষিতে নরসিংদী ডিবি পুলিশের এসআই মোস্তাক আহমেদ নরসিংদী জেলা হাসপাতাল এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।

তার সাথে গ্রেপ্তার হয় কাকন নামে আবুল কালামের আরেক সহযোগী। এসআই মুস্তাক আহাম্মেদ আবুল কালামের দেহ তল্লাশি চালিয়ে ২০০ পিস এবং কাঁকনের দেহ তল্লাশি চালিয়ে ৫০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করে।

এব্যাপারে ডিবি দারোগা আব্দুল গাফফারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন যে আবুল কালাম তার সোর্স। ডিবি দারোগা মোস্তাক আহমেদ তাকে গ্রেপ্তার করেছে বলে জানান।

এ ব্যাপারে এসআই মোস্তাক আহমেদ বাদী হয়ে নরসিংদী সদর মডেল থানায় মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে মাদক সম্রাট আবুল কালাম ও কাকন এর বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছে।

মোস্তাক আহমেদ বলেন, আবুল কালাম একজন স্বীকৃত মাদক ব্যবসায়ী। নরসিংদী জেলায় সে মাদক সম্রাট হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে শিবপুর থানায় আরো দুইটি মাদক মামলা রয়েছে।

মন্তব্য লিখুন :