কাল কি পারবে বাংলাদেশ?

সিলেট টেস্ট উত্তাপের বারুদে ঠেসে শেষদিন নাটকীয়তার দিকেই কি এগুচ্ছে? একদিকে বাংলাদেশের প্রয়োজন ২৯৫ রান, হাতে আছে ১০ উইকেট। সিলেট টেস্ট যেভাবে আগাচ্ছে তাতে ফল আসতে বাধ্য। তবে সেটা বাংলাদেশের জন্যে সেই ফল আনন্দের নাকি হতাশার হবে, সেটা সময় বলে দেবে। বাংলাদেশ যদি হাসিমুখে মাঠ থেকে ফিরতে চায়, তবে কাল কী হবে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইন আপ?

দলের প্রতিনিধি হয়ে আজ সংবাদ সম্মেলনে এসেছেন বাংলাদেশ কোচ স্টিভ রোডস। দলের রণকৌশল নিয়ে বলার মোক্ষম ব্যক্তি রোডস একটু ধারণা দিয়েছেন কাল কোন পথে হাঁটবে বাংলাদেশ, ‘বিশ্বাস করুন আর না করুন, জেতার জন্যই আজ আমরা কিছু কাজ ঠিক করেছি। পাঁচটা সেশন জিতে এসেছি (৯টার মধ্যে)। প্রথম সেশন কিছুটা ভারসাম্য ছিল। পরের দুটি জিতেছি। আমরা সঠিক পথেই আছি। আমরা চেষ্টা করব কালকের সেশনগুলোও জিততে।’

রোডস আশাবাদী, কাল তাঁর ব্যাটসম্যানরা পারবেন, ‘ভালো দিক হচ্ছে, উইকেটে বল এখনো ভীষণ বাঁক নিতে দেখা যাচ্ছে না। সব বল টার্ন করছে না। মাঝে মধ্যে কিছু বল টার্ন করছে। আপনি বেশি দুশ্চিন্তা না করলে এই উইকেটে বেশি সমস্যা হওয়ার কথায় নয়। এই উইকেটে আপনি খেলতেই পারেন স্পিনের বিপক্ষে। আজ ইমরুল ও লিটন দেখিয়ে দিয়েছে তারা সেটা করার সামর্থ্য রাখে। এখানে রান করার উপায় অবশ্যই আছে। বড় স্কোর তাড়া করে জেতা খুবই কঠিন, কিন্তু এটা অসম্ভব নয়।’

জিততে হলে এগিয়ে থাকতে হবে মনস্তাত্ত্বিক লড়াইয়েও। বিশাল লক্ষ্য, এত রান তাড়া করে জেতার রেকর্ড নেই বাংলাদেশের। সর্বোচ্চ ২১৫ রান তাড়া করে জিতেছে। ২০০ রানের বেশি তাড়া করে জেতার রেকর্ড মুশফিকদের ওই একটাই। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সর্বোচ্চ ১০১ রান তাড়া করার রেকর্ড আছে বাংলাদেশের। ২০১৪ সালের অক্টোবরে ১০১ করতেই প্রাণবায়ু বেরিয়ে যাওয়ার উপক্রম! কাল কীভাবে পারবে বাংলাদেশ? রোডস হাল ছাড়ছেন না।

বাংলাদেশ কোচ জানালেন, ড্রেসিংরুমের আত্মবিশ্বাস যথেষ্ট ভালো, ‘ড্রেসিংরুম অনেক আত্মবিশ্বাসী। তারা মনে করে এই স্কোরটা গড়া সম্ভব। দ্বিতীয় ইনিংসে আরও ভালো ব্যাটিং করতে আমরা তৈরি। ইমরুল ও লিটনের প্রতি ভীষণ সন্তুষ্ট যে সেই সুযোগটা তারা আজ আমাদের করে দিয়েছে। কাল আবার আমাদের শুরু করতে হবে।’

মন্তব্য লিখুন :