বিশ্বকাপের দলে নেয়ার কারণ বুঝিয়ে দিলেন রাহী

এক ম্যাচ হাতে রেখেই ত্রেদেশীয় সিরিজের ফাইনালে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ। তাই আজকে আয়ারল্যান্ডের সাথের ম্যাচটা ছিল গুরুত্বহীন। যে কারণে দলে পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুযোগ পেয়েছিল টাইগার নির্বাচকরা। হলোও তাই। টানা দুই ম্যাচে ফিফটি করা সৌম্য সরকার আর দুই ম্যাচে ৬ উইকেট নেয়া মোস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দিয়ে নেয়া হলো লিটন দাস আর রুবেল হোসেনকে।

এছাড়াও মেহেদি মিরাজ আর মোহাম্মদ মিথুনকে বসিয়ে দলে নেয়া হয় মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন আর মোসাদ্দেক হোসেনকে। এতো পরীক্ষা-রিরীক্ষার এই ম্যাচে মোটেও সুবিধা করতে পারেনি টাইগাররা। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে প্রথম দুই ম্যাচে ২৬০ রানের মধ্যে বেধে দেওয়া টাইগাররা আজ দিল ২৯২ রান। এর কারণ বাজে ফিল্ডিং।

এই হতাশার মাঝেও আশা দেখিয়েছেন আবু জায়েদ রাহী। সুইং ভেলকিতে নিজের দ্বিতীয় ম্যাচেই ছুঁয়েছেন ৫ উইকেটের সম্মানজনক হল। যদিও তার শুরুটা অকটা ভালো ছিল না।

১১তম ওভারে প্রথম আঘাতটি হানেন রাহী। তার সুইংয়ে সম্পূর্ণ পরাস্ত হয়ে মুশফিকুর রহিমের কাছে ক্যাচ তুলে দেন বলবিরনি। এরপর যেন কোথায় হারিয়ে যান তিনি। তবে ফিরে আসেন ডেথ ওভারে।

৪৫তম ওভারে এসে ৯৪ রানের সময় পর্টারফিল্ডকে ফিরিয়ে ১৭৩ রানের জুটি ভাঙেন রাহী। এরপর তো রীতিমতো আইরিশ ব্যাটসম্যানদের নাজেহাল করে তোলেন। এক ওভার পরেই দারুণ এক সুইংয়ে সাজঘরে ফেরান ওব্রায়েনকে।

তার করা স্লোয়ারটিতে বড় শট খেলেন ব্রায়েন। ফলাফল লং অনে তামিমের তালুবন্দি। একই ওভারে শেষ বলে তিনি ফেরান ১৩০ রান করা পল স্টালিংকে। এরপর গ্যারি উইলসনকে ফিরিয়ে নিজের পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেন তিনি।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে অভিষেক হয় এই বোলারের। তার আগেই তিনি জায়গা করে নেন বিশ্বকাপ দলে। যেটা নিয়ে বেশ সমালোচনা হয় ক্রিকেটাঙ্গনে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেন, তাসিকনকে বাদ দিয়ে তাকে নেওয়ার যুক্তিসঙ্গত কারণ নিয়ে। তবে আজ বোধয় সব প্রশ্নের জবাবই দিয়ে দিলেন এই তরুণ বোলার।

মন্তব্য লিখুন :