বিশ্বকাপে যে কারণে রিজার্ভ ডে রাখা হয়নি

বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা বা ‘রিজার্ভ ডে’ না রাখার ব্যাপারে আত্মপক্ষ সমর্থন করে যুক্তি তুলে ধরেছে আইসিসি। ইংল্যান্ডের ‘একেবারেই অপ্রত্যাশিত আবহাওয়ার’ কথা উল্লেখ করে ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির দাবি, সবকিছু নতুন করে সাজিয়ে আবারও ম্যাচের আয়োজন করা কষ্টসাধ্য।

আইসিসির বিদায়ী প্রধান নির্বাহী ডেভিড রিচার্ডসন বিবৃতিতে বলেছেন, প্রতিটি ম্যাচে রিজার্ভ ডে রাখা হলে বেড়ে যেত টুর্নামেন্টের দৈর্ঘ্য, ‘রিজার্ভ ডে রাখা হলে বিশ্বকাপের দৈর্ঘ্য লম্বা হয়ে যাবে। বাস্তব দৃষ্টিতে তা জটিল আকার ধারণ করতো।’

শুধু দৈর্ঘ্যই নয় এর সঙ্গে সম্পৃক্ত বিষয়গুলো মাত্রা ছাড়া হয়ে দাঁড়াত বলে দাবি তার। যেমন বাজেট সঙ্কুলান, থাকার ব্যবস্থা, ভ্রমণ ক্লান্তি সব কিছুই নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারতো তেমনটি হলে, ‘এরফলে পিচ তৈরিতে একটা প্রভাব পড়তো। দলগুলোর স্বস্তি, ভ্রমণ, থাকার ব্যবস্থা ও ভেন্যু পাওয়া যাবে কিনা এসব কিছুই প্রভাব ফেলতো। এমনকি ব্রডকাস্টের জন্য যেসব সুবিধা আছে সেগুলো মাথায় রাখতে হয়েছে। দর্শকরা যারা এত সময় ধরে মাঠে থাকবে তাদের কথাও ভাবতে হবে। আর রিজার্ভ ডে তেও বৃষ্টি হবে না, এর কোন নিশ্চয়তা নেই।

এবারের বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় বাধা বৃষ্টি। প্রায় প্রত্যেক ম্যাচের আগেই আতঙ্ক বিরাজ করছে এই বুঝি বৃষ্টি নেমে গেল। যে কারণে খেলার পাশাপাশি বৃষ্টির দিকেও নজর দিতে হচ্ছে দলগুলোকে। বাংলাদেশের গতকালের ম্যাচটি বৃষ্টির কারণে বাতিল হয়ে যায়। মাঠে নামা তো দূরের কথা গতকাল টস পর্যন্ত হয়নি।

এ কারণে বাংলাদেশের সেমিতে উঠার পথ অনেকটাই কঠির হয়ে গেছে। এর আগে দক্ষিণ আফ্রিকা ও শ্রলিঙ্কার ম্যাচও বৃষ্টির কারণে শেষ হয়ে যায়। এছাড়াও চারটি ম্যাচে হানা দেয় বৃষ্টি। তাই রিজার্ভ ডে না রাখায় বেশ সমালোচনাই সইতে হচ্ছে আইসিসিকে।

মন্তব্য লিখুন :