‘ফিলিস্তিনিরা মোহাম্মদ সালাহকে ভালোবাসে’

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার রাফায় চলতি বছরের ফিলিস্তিনি কাপের প্রথম লেগ অনুষ্ঠিত হয়েছে। খাদামাত রাফাহ ক্লাব ও বালাতা স্পোর্টস সেন্টারের মধ্যে এই খেলার সময় মাঠের বাইরে বিশাল একটি পোস্টারে মোহাম্মদ সালাহর প্রতি ভালোবাসার কথা জানিয়েছেন ফিলিস্তিনিরা।

রোববারে ওই খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসময় মাঠের কাছেই মোনাজাতরত লিভারপুলের মিসরীয় মিডফিল্ডার মোহাম্মদ সালাহর ছবি টাঙানো। তাতে লেখা, ফিলিস্তিনিরা মোহাম্মদ সালাহকে ভালোবাসে।-খবর এএফপির

এদিকে দখলদার ইসরাইল গাজাভিত্তিক খেলোয়াড়দের ভ্রমণের অনুমতি না দেয়ায় ফিলিস্তিনি কাপ ফাইনাল স্থগিত রাখা হয়েছে। বুধবার ফিলিস্তিনি ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন এমন তথ্য জানিয়েছে।

পিএফএ’র ভাইস-প্রেসিডেন্ট সুসান সালাবি বলেন, বালাতা এফসি ও খাদামাত রাফাহের মধ্যে ফাইনালের দ্বিতীয় লেগ বুধবার হওয়ার কথা ছিল। অধিকৃত পশ্চিমতীর ও অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকা থেকে এ দুটি দল ফাইনালে উঠেছে।

তিনি বলেন, গাজাভিত্তিক খাদামাত রাফাহ পশ্চিমতীরে আসার অনুমতি চেয়েছে। সর্বমোট ৩৫ জনের ভ্রমণের অনুমতি চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু ইসরাইল মাত্র চারজনকে অনুমতি দিয়েছে। তাদের মধ্যে তিনজন হলেন ক্লাব কর্মকর্তা।

খুবই কঠোরভাবে খেলোয়াড়দের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছে ইসরাইল। এক্ষেত্রে অবৈধ ইহুদি রাষ্ট্রটি নিরাপত্তার অজুহাতের কথা বলেছে। কিন্তু কী ধরনের নিরাপত্তার শঙ্কা তারা বোধ করছে, তা স্পষ্ট করেনি ইসরাইল।

খাদামাত রাফাহ ক্লাবের এক কর্মকর্তা বলেন, চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করছি। অনুমতি পাওয়া যাবে বলে আশা নিয়ে আমরা বসে আছি।

ফাইনালে অংশ নিতে যেকোনো সময় পশ্চিমতীরে যাওয়ার জন্য আমরা প্রস্তুত। আগামী ত্রিশ মিনিটের মধ্যে যদি আমরা অনুমতি পাই, তবে তখনই চলে যাব বলে জানালেন এক ক্লাব কর্মকর্তা।

তিনি বলেন, ইসরাইল অনুমতি না দেয়া পর্যন্ত এখন দ্বিতীয় লেগের তারিখ নিয়ে আলোচনা একেবারে অসম্ভব। গত রোববার গাজায় প্রথম লেগ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে দুই ক্লাবই একটি করে গোলা করেছে।

সালাবি বলেন, ইসরাইলকে ফিফা এমনভাবে মোকাবেলা করে, যাতে তারা উৎসাহ বোধ করছে। ফিফার আচরণে ইসরাইল এক ধরনের দায়মুক্তি পাচ্ছে।

মন্তব্য লিখুন :