দলবদল: রিয়াল মাদ্রিদ ও বার্সেলোনা কিনেছে যাদের

২০১৮-১৯ মৌসুমে কোনো প্রাপ্তিই নেই রিয়াল মাদ্রিদের। লা লিগায় হয়েছে তৃতীয়। টানা তিনবারের চ্যাম্পিয়ন্স লীগ জয়ীরা গতবার বিদায় নিয়েছে শেষ ১৬ থেকেই। টানা ৫ ম্যাচে তারা কোনো গোলই করতে পারেনি গত সিজনে। লা লিগা শেষ করতে হয়েছে ১০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ হার নিয়ে।

এর কারণ যে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর দল ছাড়া তা সবার জানা। ঠিক ১ বছর আগে হঠাৎ করেই জুভেন্টাসে চলে যান পর্তুগিজ তারকা। এরপর তার বিকল্প কাউকে কিনতে পারেনি মাদ্রিদ। তবে এবার আর সেই ভুল করেনি ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে সফল ক্লাবটি।

গত মৌসুমে বার্সেলোনার অবস্থাও যে ভালো ছিল তা না। তারা লা লিগা জিতলেও চ্যাম্পিয়ন্স লীগ থেকে বিদায় নিয়েছে দৃষ্টিকটূভাবে। কোপা দেল রের ফাইনালে উঠেও হারাতে পারেনি ভ্যালেন্সিয়াকে। ফলে শুধু লা লিগা নিয়েই নর্তুষ্ট থাকতে হয় তাদের।

তবে গত মৌসুমে বার্সা সবচেয়ে বড় ধাক্কাটা খেয়েছে চ্যাম্পিয়ন্স লীগের সেমিফাইনালে লিভারপুলের কাছে হেরে। তাছাড়া তাদের মূল ভরসা লিওনেল মেসি ও লুই সুয়ারেজের বয়সও তাদের ভাবিয়ে তুলেছিল। সব মিলিয়ে এবারের মৌসুমটা তাদের জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

এই দুই দলই এবার তাই উঠেপড়ে লাগে নতুন করে দল গোছাতে। তবে সেখানে যে তারা পুরোপুরি সফল তা বলা যাবে না। রিয়াল হ্যাজার্ড আর বার্সা গ্রিজম্যানকে কিনলেও তারা দলের দুর্বলতা পুরোপুরি কাটাতে পারেনি।

এবারের দলবদলের মৌসুমে সবচেয়ে বেশি খরচ করেছে রিয়াল মাদ্রিদ। দলবদলে খরচ ৩০৫ মিলিয়ন ইউরো। এর মধ্যে তারা এডেন হ্যাজার্ডের পেছনে খরচ করেছে সর্বোচ্চ ১০০ মিলিয়ন বা ৯২০ কোটি।

এছাড়া লুকা জভিচের পেছনে ৬০ মিলিয়ন, এডার মিলিতোর পেছনে ৫০ মিলিয়ন, ফাল্যান্ড মেন্ডির পেছনে ৪৮ মিলিয়ন ও রদ্রিগোর পেছনে ৫০ মিলিয়ন খরচ করে।

বার্সেলোনা গ্রিজম্যানের পেছনে ১২০ মিলিয়ন, ফ্রাঙ্কি ডি জংয়ের পেছনে ৭৫ মিলিয়ন, নেতোর পেছনে ২৬ মিলিয়ন আর জুনিয়র ফিরপোর পেছনে ১৮ মিলিয়ন খরচ করেছে।

মন্তব্য লিখুন :