প্রসাধনী সামগ্রী ব্যবহারে যেসব ক্ষতি হতে পারে

পার্টি হোক কিংবা বেড়াতে যাওয়া, অফিস হোক কিংবা ডেটিং, নিজেকে আকর্ষণীয় করে তুলতে নারীরা সুন্দরী হয়ে উঠতে কত কি না ব্যবহার করে থাকেন।

তবে সাম্প্রতিক গবেষণায় বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করে প্রস্তুতকৃত প্রসাধনী সামগ্রীর ক্ষতিকর দিকের কথা উঠে এসেছে। রূপচর্চার ওই প্রসাধনী সামগ্রীতেই লুকিয়ে রয়েছে বিষ, জা হরমোনের ভারসাম্যও নষ্টের কারণ হতে পারে।

অল্প বয়সী নারী বা তরুণীদের মাঝে হরমোন ভারসাম্যহীনতা সৃষ্টি করছে বাজারে প্রচলিত প্রসাধনী সামগ্রী। গবেষকরা জানিয়েছেন, নারীরা পুরুষের তুলনায় বেশি প্রসাধনী সামগ্রী ব্যবহার করেন।

প্রতিদিন গড় হিসাবে একজন পুরুষ সাধারণত ছয় ধরনের ব্যক্তিগত প্রসাধনী ব্যবহার করলেও নারীরা গড়ে ১২টি ব্যবহার করেন। এক্ষেত্রে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছেন তরুণীরা।

রূপচর্চার জন্য নানা প্রসাধনী সামগ্রী ব্যবহার করেন এমন ১৮-৪৪ বছর বয়সীদের নিয়ে একটি গবেষণা করা হয়। কোনো ক্রনিক রোগ নেই, এমন ১৪৩ জন মহিলার মূত্রের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এমনকি, তারা কি কি প্রসাধনী সামগ্রী ব্যবহার করেন তারও একটি তালিকা তৈরি করা হয়।

এরপর সংগৃহীত মূত্রের পরীক্ষা করে দেখা যায়, ক্রমাগত বিভিন্ন ব্র্যান্ডের প্রসাধনী যারা ব্যবহার করেন, তাদের মধ্যে হরমোনের ভারসাম্যহীনতায় নানা ধরনের ক্ষতি হয়েছে।

গবেষকরা জানিয়েছেন, ক্ষতিকর প্রসাধনী সামগ্রী নারীদের শুধু হরমোনজনিত সমস্যাই সৃষ্টি করে না, এটি আরও নানা উপায়ে দেহের ক্ষতি করে। মস্তিষ্কের সমস্যা, ওজন বৃদ্ধি ও ক্যানসার কোষের বৃদ্ধির সমস্যাও তৈরি হতে পারে।

তাই গবেষকরা ক্ষতিকর রাসায়নিকযুক্ত প্রসাধনী সামগ্রীর ব্যবহার ছেড়ে প্রাকৃতিক উপাদানসমৃদ্ধ প্রসাধনী ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়েছেন। কিছু প্রসাধনী সামগ্রীতে ‘অর্গ্যানিক’ লেবেল দেয়া থাকে। এসব সামগ্রী ব্যবহার করলে এ ক্ষতিকর প্রবণতা কমানো সম্ভব বলে দাবি করেছেন গবেষকরা।

মন্তব্য লিখুন :