খাওয়ার পর এই ৫টি কাজ কখনোই করবেন না

স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া, শরীরচর্চা ও পর্যাপ্ত ঘুম যে কোনো মানুষের জন্যই জরুরি। সুস্থ থাকতে খেতে হবে উচ্চমানের প্রোটিন, শর্করা, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, ভিটামিন, মিনারেলস, এবং প্রয়োজনমতো পানি। সঠিক পরিমাণে খাওয়াটা যেমন জরুরি, তেমনি খাওয়ার পরে এই খাবার যেন উপকারে আসে তা নিশ্চিত করাটাও জরুরি। খাওয়ার পর পরই কিছু কাজ করলে উপকারের বদলে বরং ক্ষতি হওয়ার ঝুঁকি থাকে। এসব কাজ হলো-

১) ধূমপান

ধূমপান এমনিতেই ক্ষতিকর, খাদ্য গ্রহণের পর তা আরো বেশি ক্ষতিকর। খাবারের পর একটি সিগারেট, অন্য সময়ে ১০টি সিগারেটের সমান। ধূমপান পরিপাকতন্ত্রের প্রদাহ বাড়ায়।  রক্তে অক্সিজেনের সাথে এই নিকোটিন যুক্ত হয়ে যায় ও সারা শরীরে ছড়িয়ে যায়।  বিশেষ করে দুপুর ও রাতে খাওয়ার পর সিগারেট বাড়ায় অন্ত্র ও ফুসফুসের ক্যান্সার।

২) চা-কফি পান

ভারী খাবার খাওয়ার পর, বিশেষ করে রাতের খাবার খাওয়ার পর চা পান করলে হজমে সমস্যা হয়। কারন চা ও কফিতে আছে ট্যানিন নামের একটি রাসায়নিক যা শরীরে আয়রন শোষিত হতে বাধা দেয়। এই পানীয়গুলো যদিও মানসিক ও শারীরিক ক্লান্তি দূর করে, তবুও তা পান করা উচিত পরিমিত পরিমাণে।

৩) ফল

ফল স্বাস্থ্যকর খাবার বটে, কিন্তু তা খেতে হবে সময় মেনে। রাতের খাবার বা দুপুরের খাবারের পর ফল খাওয়া যাবে না। খাওয়ার পর পরই ফল খেলে তা অন্যান্য খাবারের সাথে মিশে পাকস্থলীতে রয়ে যায় অনেক বেশি সময়। এ থেকে হতে পারে বদহজম, বুক জ্বালাপোড়া, চোঁয়া ঢেঁকুর ও পেটের অন্যান্য সমস্যা।

৪) ঘুমানো

খাওয়ার পর পর কখনোই ঘুমানো উচিত নয়।  বিশেষ করে ভারী খাবার খাওয়ার পর। কারন ঘুমন্ত অবস্থায় শরীরের খাবার হজম করতে কষ্ট হয়।  এ থেকে হতে পারে বদহজম, ওজন বাড়া এমনকি স্ট্রোকের ঝুঁকিও বাড়তে পারে।  খাওয়ার পর ঘুমাতে যাওয়ার আগে অন্তত ২ ঘন্টা অপেক্ষা করুন।

৫) গোসল করা

গোসল করার সময়ে শরীরের তাপমাত্রা পাল্টায় পানির তাপমাত্রার সাথে সাথে। পানি যখন ত্বক স্পর্শ করে, তখম আমাদের মস্তিষ্ক ত্বকে রক্ত প্রবাহ বাড়ায় যাতে তাপমাত্রা স্বাভাবিক হয়ে আসে। ঠাণ্ডা পানিতে গোসল করলে ত্বকের রক্তনালীকাগুলো প্রসারিত হয়। সারা শরীর থেকে রক্ত ত্বকের দিকে প্রবাহিত হয়। এতে পাকস্থলীর পরিপাক সঠিকভাবে হয় না ও পেটে সমস্যা দেখা দেয়।

মন্তব্য লিখুন :