এই শীতে কেন প্রতিদিন আমলকি খাবেন?

আমলকী ফলটি ছোট্ট হলেও তার স্বাস্থ্যগুণ অনন্য। এতে বেশিরভাগ ফলের তুলনায় বেশি ভিটামিন সি থাকে। এছাড়াও থাকে আয়রন ও ক্যালসিয়াম। আমলকীকে অনেকেই কমদামী ও সহজলভ্য একটি সুপারফুড বলে মনে করেন। অনেক দামী দামী সুপারফুডের তুলনায় আমলকী খাওয়াটা সাশ্রয়ী। এসব কারণে তা আসলে দৈনিক খাওয়াই উচিত। দেখে নিন তা প্রতিদিন খাওয়ার উপকারীতাগুলো-

১) তা আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি করে

আমলকীতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকায় তা আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে তোলে। তা শিশু, প্রাপ্তবয়স্ক ও বয়োবৃদ্ধ সবার জন্যই উপকারী।

২) হৃদস্বাস্থ্যের উন্নতি করে

ভিটামিন সি হৃদযন্ত্রের উপকারেও আসে। তা হৃৎপিণ্ডের ধমনীগুলোকে শক্তিশালী করে। যাদের শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেশি তাদের জন্য আমলকী বেশি দরকারী।

৩) ত্বক ও চুলের জন্য উপকারী

ভিটামিন সিয়ের ওপর ত্বক ও চুলের স্বাস্থ্য অনেকাংশে নির্ভর করে। ভিটামিন সি কোলাজেন উৎপাদনে সাহায্য করে, যা ত্বককে টানটান রাখে। দইয়ের সাথে আমলকী গুঁড়ো মিশিয়ে ফেসপ্যাক হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন, এতে ত্বক হবে উজ্জ্বল। আবার নারকেল তেলের সাথে আমলকী গুঁড়ো মিশিয়ে মাথার তালুতে মাসাজ করতে পারেন। এতে খুশকী দূর হয় ও চুল ভালো থাকে।

৪) ইনফ্লামেশন কমায়

শরীরে থাকা ফ্রি র‍্যাডিকেলস হৃদযন্ত্র, ত্বকের ক্ষতি করতে পারে এমনকি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে। কারণ ফ্রি র‍্যাডিকেলসের কারণে ইনফ্লামেশন হয়। এ থেকে অনেক রোগের সূত্রপাত হতে পারে। আমলকীতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস শরীরে ইনফ্লামেশন কমাতে সক্ষম।

৫) ফাইবারের উৎস

হজমশক্তি উন্নয়নের জন্য অবশ্যই প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় বেশি পরিমাণে ফাইবার রাখতে হবে। তবে অতিরিক্ত ফাইবার খেলেও আবার পেটে সমস্যা হতে পারে। এর জন্য সঠিক পরিমাণে ফাইবার খেতে হবে। আমলকি একদিকে যেমন ফাইবারের উৎস, তেমনি তা পেটে অ্যাসিডিটি ও আলসার দূর করতেও কাজে আসে।

৬) ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী

আমলকীতে ক্রোমিয়াম থাকে, যা ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে দারুণ কাজ করে। তা ইনসুলিন সেনসিটিভিটি বাড়ায় যা টাইপ ২ ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য দরকারি।

মন্তব্য লিখুন :