আদার সাথে আধা সেদ্ধ ডিম ১ মাস খেলে যা হবে

সুস্বাদু খাবারের মসলা হিসেবেও আদার জুড়ি নেই। রান্নাঘরের সহজলভ্য একটি উপাদান আদা। আদা প্রাকৃতিক ঔষধি গুণাগুণেও ভরপুর। প্রায় ২০০০ বছর আগে থেকে চীনা ভেষজবিদেরা নানা শারীরিক সমস্যায় আদা ব্যবহার করে আসছেন। আদাতে আছে শক্তিশালী এন্টি-অক্সিডেন্ট, এন্টি-ইনফ্লেমেটরি ও অ্যালার্জি প্রতিরোধক উপাদান। যা আপনার একাধিক সমস্যা সারাবে।

নতুন আদার সাথে আধা সেদ্ধ ডিম খাওয়ার অভ্যাস পুরুষের প্রজনন ক্ষমতা বাড়ায় এবং স্পার্ম কাউন্ট বৃদ্ধি করে।

দুর্বলতার কারণ যাই হোক না কেন একটু আদা খেয়ে নিন। অনেকটা শক্তি পাবেন।

রতিদিনের খাবার তালিকায় আদা অন্তর্ভুক্ত করুন অথবা আদা দিয়ে চা পান করুন। এটি শরীরের ব্যথা ও সংক্রমণ কমাতে সাহায্য করবে। আদা চা তৈরির জন্য একটি পাত্রে পানি নিয়ে তাতে কিছু আদার টুকরা দিয়ে ১০ মিনিট ধরে ফুটান। চুলা থেকে সরিয়ে স্বাদ বাড়াতে এত একটু মধু ও লেবুর রস যোগ করুন।

বমিভাব বা বমি হচ্ছে অনেক? আদা কুচি করে চিবিয়ে খান অথবা আদার রসের সাথে সামান্য লবণ মিশিয়ে পান করুন। তাৎক্ষণিক সমাধান পেয়ে যাবেন।

প্রতিদিন এক গ্রাম তাজা আদার টুকরা খেলে তা পেটের ব্যথা এমনকি গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থেকে মুক্তি দেয়। এছাড়াও খাবারে মসলা হিসেবে আদা ব্যবহার করলে তা পেটের সমস্যা দূরে রাখে। এছাড়া তাজাআদা ছোট টুকরা করে কেটে তাতে সামান্য লবণ ছিটিয়ে চিবিয়ে খান, উপকার পাবেন।

খেতে ইচ্ছে করছে না বা ক্ষুধা মন্দায় ভুগছেন? তাহলে খাওয়ার ৩০ মিনিট আগে আদা খেয়ে নিন। এতে ক্ষুধামন্দা দূর হবে এবং খাবারে রুচি ফিরে আসবে।

প্রতিদিন সকালে ১ কাপ আদা চা পান করলে পুরোদিন পেট ফাঁপা বা বদহজম থেকে মুক্ত থাকতে পারবেন।

আদায় প্রদাহনাশক উপাদান থাকায়, এটি প্রাকৃতিক ব্যথানাশক হিসেবে কাজ করে। প্রতিদিনের খাবার তালিকায় আদা অন্তর্ভুক্ত করুন অথবা আদা দিয়ে চা পান করুন। এটি শরীরের ব্যথা ও সংক্রমণ কমাতে সাহায্য করবে।

ঠাণ্ডা সারাতে আদা বেশ কার্যকর। আদা ও মধু মিশিয়ে একটি কফ সিরাপ তৈরি করুন, এটি দ্রুত ঠাণ্ডার সমস্যা থেকে মুক্তি দেবে। এক টেবিল-চামচ খাঁটি মধুর সঙ্গে কয়েক ফোঁটা আদার রস মিশিয়ে দিনে কমপক্ষে দুই থেকে চারবার এটি পান করুন।

আদার অ্যান্টিইনফ্লেমেটরি উপাদান হাড়ের জয়েন্টে ব্যথা দূর করতে বিশেষ ভাবে কার্যকরী। এছাড়াও উষ্ণ গরম পানিতে আদার তেল মিশিয়ে গোসল করলে মাংসপেশীর ব্যথা দূর হয়।

মন্তব্য লিখুন :