কাঁচা পেঁয়াজ খাওয়ার যতো উপকারিতা

পেঁয়াজ যে স্বাস্থ্যের পক্ষে কতটা উপকারি তা জানলে আপনি অবাক হতে বাধ্য। প্রয়োজনীয় পুষ্টিগুণের সঙ্গে এতে ফাইটোকেমিক্যাল রয়েছে, যা আমাদের শরীরে নানা উপকারে আসে। স্যালাদ থেকে স্যান্ডউইচ, কিংবা শুধু মুড়িতে মেখে যেমন নানা ভাবে পেঁয়াজ খাওয়া যায়, তেমনই এর রয়েছে নানাবিধ গুণ। আমাদের আজকের এই প্রতিবেদনে একবার দেখে নিন পেঁয়াজের গুণাগুণ সম্পর্কে-

কাঁচা পেঁয়াজের উপকারিতা আপনাকে অবশ্যই জানতে হবে:-

১. কাঁচা পেঁয়াজ এলডিএল (খারাপ কোলেস্টেরল) উৎপাদন কমিয়ে দেয় এবং আপনার হৃদয়কে সুস্থ রাখে।

২. ভিটামিন সি (যা কাঁচা আকারের মধ্যে থাকে) অপরিবর্তিত থাকলেও পেঁয়াজিতে উপস্থিত ফাইটোকেমিক্যালগুলির সাথে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়।

৩. পেঁয়াজ পাওয়া যায় এমন একটি শক্তিশালী কম্পাউন্ডে কুইরেটটিনকে ক্যান্সার প্রতিরোধে ভূমিকা পালন করে, বিশেষত পেট এবং কলেস্টারের ক্যান্সার সারাতে।

৪. রক্ত শর্করা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করতে পারে।

৫. পেঁয়াজ রস এবং মধু মিশ্রণ করে খেলে জ্বর, সাধারণ ঠান্ডা, এলার্জি ইত্যাদি নিরাময় হিসাবে কার্যকর।

৬. নাকের তলায় একটি ছোট টুকরা রাখুন এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য একটি নাক থেকে রক্তপাত বন্ধ করারা জন্যে কাজ করে।

৭. পেঁয়াজ ফোটা এছাড়াও বিষণ্নতা এবং সাহায্য ঘুম এবং ক্ষুধা বাড়াতে সাহায্য করে।

৮.  ভিটামিন সি গঠন করে যা ত্বক ও চুলের স্বাস্থ্যের জন্য দায়ী।

৯. পেঁয়াজ এর জীবাণু এবং এন্টি-প্রদাহী বৈশিষ্ট্য প্রমাণিত হয়েছে।

১০. কাঁচা পেঁয়াজ আমাদের মৌখিক স্বাস্থ্যের উন্নতি করে এবং বহু ব্যাকটেরিয়া মারতে সাহায্য করে।

সাদা পেঁয়াজ পিষে নিয়ে তাকে মাখনের মধ্যে ভালো করে ভেঁজে নিয়ে তা প্রতিদিন মধুর সঙ্গে খেলে তা থেকে উপকার পাওয়া যায়৷ কিন্তু একটি বিষয় মনে রাখবেন, এটি খাওয়ার আগে ঘণ্টা দুয়েক সময় আপনার পেট খালি রাখবেন৷ এইভাবে প্রতিদিন খেলে স্খলন, শীঘ্রপতন বা ঘুমের মধ্যে ধাতুপতন ইত্যাদি সমস্যার সমাধান হওয়া সম্ভব৷

জ্বরে দেহের তাপমাত্রা বেশি থাকলে পাতলা করে কাটা পেঁয়াজ কপালে রাখলে কিছু ক্ষণের মধ্যে তাপমাত্রা কমিয়ে দেবে।

পোকামাকড়ের কামড় হোক, বা রোদে পোড়া ট্যান, কিংবা ব্রণ-ফুস্কুরি, এ সবের সমস্যা থাকলে সে সমস্ত জায়গায় একটু পেঁয়াজের রস লাগান। একটু কুটকুট করতে পারে, তবে দ্রুত কাজ করবে।

মন্তব্য লিখুন :