দারুচিনির বিস্ময়কর সব উপকারিতা

দারুচিনিকে আমরা মশলা হিসেবেই চিনি। বিশেষ করে যে কোন মাংস রান্নায় দারুচিনির গুঁড়ো কিংবা আস্ত দারুচিনি আমরা ব্যবহার করে থাকি কারন এই মশলা খাবারের স্বাদ দ্বিগুণ বাড়িয়ে দেয়। তবে এই দারুচিনির রয়েছে একাধিক ওষুধি গুণ। জেনে নেই এই মশলার উপকারিতার ব্যাপারে।

কন্ঠস্বর বিকৃতিতে: কন্ঠস্বর সাময়িকভাবে বিকৃত হলে ১ গ্রাম পরিমাণ দারুচনি চূর্ণ ভালভাবে থেঁতো করে আধকাপ গরম পানিতে রাত্রিতে ভিজিয়ে রেখে পরের দিন সেটাকে ছেঁকে নিয়ে সেই পানিটা খেলে কন্ঠস্বর স্বাভাবিক হয়।

দাঁতের যন্ত্রণায়: দারুচিনির গুঁড়ো দাঁতের গোড়ায় টিপে লাগিয়ে দিলে যন্ত্রণা দ্রুত উপশম হয়। অথবা ৩/৪ গ্রাম দারুচিনি গুঁড়ো আধকাপ গরম পানিতে খানিকক্ষণ ভিজিয়ে রেখে সেটাকে ছেকে নিয়ে, সেই পানি মুখে পুরে ৫/৭ মিনিট রাখার পর ফেলে দিলে ভালো ফল পাওয়া যায়।

ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রনে রাখে: বেশ কিছু গবেষণায় এসেছে যে দারুচিনি আমাদের দেহের ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখে। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য দারুচিনি খুব উপকারী।

পেটের সমস্যা: আপনার পেটে যদি কোনো সমস্যা হয়ে থাকে তার জন্য সবচেয়ে সহজ ঘরোয়া সমাধান দারুচিনি। কারণ এই মশলা আমাদের দেহে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল হিসেবে কাজ করে। দারুচিনি চা, দারুচিনি গুঁড়ো, দারুচিনি তেল আমাদের পেটের সমস্যার জন্য খুবই ভালো।

ক্রিমিতে: ঝুরো ক্রিমির উৎপাতে কষ্ট পেলে দারুচিনি চূর্ণ সিকিগ্রাম পানির সাথে মিশিয়ে খেলে এ উৎপাতের হাত থেকে রেহাই পাওয়া যায়।

ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে: দারুচিনি আমাদের দেহের রক্ত তরল করতে সাহায্য করে এবং দেহের রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে ও উন্নয়নে সাহায্য করে দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে।

দাদ ও একজিমায়: এক্ষেত্রে ৩ গ্রাম দারুচিনি থেঁতো করে ২ কাপ পানিতে সিদ্ধ করে, ১ কাপ থাকলে নামিয়ে ছেঁকে, কিছু খাওয়ার পর সেই ক্বাথ (ঠান্ডা হলে) সকাল ও বিকাল বেলা খেতে হবে। সেই সাথে ২/৩ গ্রাম দারুচিনি বেটে অল্প একটু দুধের সর অথবা বেড়ির তেলের সাথে মিশিয়ে একদিন অন্তর দাদ বা একজিমার স্থানে লাগাতে হয়।

মাথাব্যথায়: দারুচিনি দিয়ে এক কাপ চা বানিয়ে খান, দেখবেন মাথাব্যথা নিমিষেই দূর হয়ে যাবে। 

মন্তব্য লিখুন :