দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ, নিরাপদ থাকতে যা করবেন

দেশে শুরু হয়েছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। ফেব্রুয়ারিতে যেখানে আক্রান্ত ৩০০তে নেমেছিল সেখানে এখন প্রতিদিন আক্রান্ত হচ্ছে ২ হাজার। দেশে সংক্রমণের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার কারণে এটি অবশ্যই লক্ষ্য রাখতে হবে যে যথাযথ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে কিনা। COVID-19 কে প্রাথমিক পর্যায়ে আটকানো হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত করতে টিকাকরণ প্রক্রিয়া সঠিকভাবে হচ্ছে কিনা সেদিকে খেয়াল রাখা উচিত।

করোনাকে আটকাতে যে নিয়মগুলো মেনে চলতে হবে –

১. বাড়ির বাইরে বের হলেই মাস্ক পরুন। একমাত্র মাস্ক পারবে সংক্রমণের হুমকি প্রতিরোধ করতে। বাইরে বেরোনোর সময়, সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে আপনি ফেস মাস্ক বা ফেস শিল্ড পড়েছেন কিনা তা নিশ্চিত করুন।

২.করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে ব্যস্ত বাজার, গণপরিবহন এবং সামাজিক ইভেন্টগুলো এড়িয়ে চলতে হবে। যদি কোনও সর্বজনীন ইভেন্টে যোগ দেওয়া হয় তবে নিশ্চিত করুন যে আপনি মাস্ক পরেছেন এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখেছেন।

৩.যদি কোনও পরিবারের সদস্য অসুস্থ থাকে এবং করোনভাইরাসের মতো লক্ষণগুলি থাকে তবে দ্রুত তার COVID-19 পরীক্ষা করুন। যদি ইতিবাচক ফল পাওয়া যায় তবে সেই ব্যক্তি থেকে দূরত্ব বজায় রাখুন এবং সাবধানতা অবলম্বন করুন।

৪.বাইরে বের হলে, বাড়িতে ঢোকার পূর্বে অবশ্যই নিজের হাত ধুয়ে ফেলুন। যদি সাবান বা হ্যান্ডওয়াশ পাওয়া না যায় তবে আপনার হাত পরিষ্কার রাখতে অ্যালকোহল-ভিত্তিক স্যানিটাইজার ব্যবহার করুন।

৫.আমাদের হাত সারা দিনব্যাপী বিভিন্ন জায়গায় স্পর্শ করে এবং ভাইরাস সহজে আমাদের হাতের সংস্পর্শে চলে আসে। সুতরাং, ভাইরাসকে আটকাতে চোখ, নাক এবং মুখ স্পর্শ করা এড়িয়ে চলতে হবে।

৬.কাশি বা হাঁচি দেওয়ার সময় সর্বদা আপনার বাঁকানো কনুই বা টিস্যু দিয়ে আপনার মুখ এবং নাকটি ঢেকে রাখুন। টিস্যুটিকে একটি বদ্ধ বাক্সে ফেলে দিন এবং আপনার হাত ধুয়ে ফেলুন।

৭.আপনার প্রিয় মানুষ যদি অসুস্থতাবোধ করে তবে দূরত্ব বজায় রেখে খেয়াল রাখুন। আপনি অসুস্থতাবোধ করলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

৮. কোভিড-১৯ এড়াতে দিন তিন-চারেকে এক বার বাজার করেন। সাবধানতা হিসেবে বাজার করে বা অফিস থেকে বাড়ি ফিরে পোশাক ছেড়ে সম্পূর্ণ ভাবে স্নান সেরে ফেলার পরামর্শই দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

৯.বাড়িতে কোনও পার্সেল এলে স্যানিটাইজার দিয়ে মুছে নিয়ে রোদ্দুরে বা আলাদা জায়গায় রেখে দিন। পরের দিন প্যাকেট খুললে ভাইরাসের সক্রিয়তা চলে যাবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।