যৌবন ধরে রাখতে যে কাজটি করবেন

চিরযৌবন থাকতে কোন মেয়ে না চায়? কারণ বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরে পরিবর্তন আসতে থাকে। মুখে বলিরেখা, দাগ, বয়সের ছাপ ভিড় করতে থাকে। ফলে তারা একপ্রকার হীনমন্যতায় ভুগতে থাকে যে তাদের আর হয়তো দেখতে ভালো লাগছে না বা সঙ্গীর কাছে সে আর আকর্ষণীয় মনে হয় না।

তবে এই সমস্যার এক সহজ সমাধান রয়েছে। আমাদের প্রাত্যহিক অভ্যেসের মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে সেই পন্থা। আমাদের শরীরের এক বিশেষ অংশকে রাখতে হবে পরিষ্কার আর সুস্থ। তবেই আমাদের সারা শরীর থাকবে সুন্দর ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল। গবেষকদের এই নতুন আবিষ্কার মেয়েদের সেই যন্ত্রণাকে একেবারেই লাঘব করতে সক্ষম।

এটা জানেন কি যে বয়স ধরে রাখার কৌশল রয়েছে জিভছোলায়? মুখের ভিতর ব্যালেন্সড ব্যাকটেরিয়া তৈরি হলে তা প্রভাব ফেলে বয়সের ওপর। নিয়মিত জিভছোলা ব্যবহারের ফলে এই ধরণের গুড ব্যাকটেরিয়া জন্মায় বেশি যা মুখের রসে বা লালায়ে নাইট্রিটেস উৎপাদন করে সঠিক পরিমাণে। আর এই নাইট্রিটেস উপাদানটিই বয়স লুকোতে অব্যর্থ টোটকা।

জিভ পরিষ্কারের জন্য যখনই জিভের আগাটি আমরা খোঁচাই, তখনই সেখানে লেগে থাকা খাবারের টুকরোগুলি একসঙ্গে বেরিয়ে আসে ৷ তাতেই এই গুড ব্যাকটেরিয়া বেড়ে যায়। জিভেই তৈরি হয় প্রায় ৫০ শতাংশ নাইট্রিক অক্সাইড। তাই জিভছোলার কাজ থামিয়ে রাখবেন না বা ভুলে যাবেন না। ব্রাশের উপরে যে অংশটি দেওয়া থাকে সেটার আকৃতির জন্য এই ধরণের বস্তুটি পুরোপুরি জিভের পিছোনে পৌঁছতে না পারার ফলে জিভ পরিষ্কার হয় না ঠিকমতো।

তাই জিভ পরিষ্কার করার জন্যে জিভ ছোলার ওপরই ভরসা করছেন চিকিৎসকরাও ৷ মুখের লালায় তৈরি হওয়া নাইট্রিটেস ক্রোমোজোমের নিচের দিকটা কর্মক্ষমতা, ডিএনএ সঠিক প্রতিলিপি, মাইট্রোকনড্রিয়ার কাজের ক্ষমতা বাড়ায়। এই তিনটি বিষয়ই বয়সের ছাপ ফেলে শরীরে। ফলে এগুলিকেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এই নাইট্রিটেস।