দাবি না মানলে রোডমার্চ করবে ঐক্যফ্রন্ট

আগামীকাল সংলাপ সফল না হলে এবং দাবি না মানলে পরদিন (৮ নভেম্বর) রাজশাহী অভিমুখে রোডমার্চ। এর পরদিন (৯ নভেম্বর) রাজশাহীতে জনসভা হবে। একে একে খুলনা ও বরিশাল অভিমুখেও রোডমার্চ হবে।

মঙ্গলবার (৬ নভেম্বর) সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঐক্যফ্রন্ট আয়োজিত জনসভায় সভাপতির ভাষণে একথা বলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। 

তিনি বলেন, সংলাপে দাবি না মেনে তফসিল ঘোষণা করা হলে নির্বাচন কমিশন ভবন অভিমুখে পদযাত্রা করবে ঐক্যফ্রন্ট।

তিনি আরো বলেন, আগামীকাল আবার ছোট সংলাপ হবে। আমরা সংলাপে বিশ্বাস করি। কিন্তু নাটক করলে চলবে না। আপনাকে (প্রধানমন্ত্রী) সরে যেতে হবে। সংসদ ভেঙে দিতে হবে। আমাদের দাবি দাওয়া মেনে নিতে হবে। নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে হবে- যোগ করেন ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র।

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেন, দেশের মালিক কোনও মহারানি-মহারাজা নন। এই দেশের মালিক জনগণ। জনগণের দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার জন্য আপসহীনভাবে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন চালিয়ে যাবো।

সমাবেশে আগত ঐক্যফ্রন্টের নেতাকর্মীদের পুলিশি বাধার সমালোচনা করে ড. কামাল হোসেন বলেন, যেভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হয়রানি করছে, তা অপরাধ, মহা-অপরাধ। হয়রানি বন্ধ করতে হবে। স্বাধীন বাংলাদেশে এটা চলতে দেওয়া যায় না।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে সভামঞ্চে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী, ডা. জাফরুল্লাহ, মাহমুদুর রহমান মান্না, আ স ম আবদুর রব, সুলতান মো. মনসুর, মোস্তফা মহসীন মন্টু, আবদুল মালেক রতন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও আবদুল মঈন খান।

এর আগে দুপুর ২টায় আনুষ্ঠানিকভাবে সমাবেশ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও বেলা সাড়ে ১১টা থেকে বিএনপির সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) কর্মীদের সম্মিলিত সঙ্গীত পরিবেশনার মধ্য দিয়ে সমাবেশের কার্যক্রম শুরু হয়।

মন্তব্য লিখুন :