র‌্যাব-পুলিশের শীর্ষ ৭০ কর্মকর্তার বদলি চায় ঐক্যফ্রন্ট

র‌্যাব ও পুলিশের শীর্ষ ৭০ কর্মকর্তাকে বদলি ও নির্বাচনে তাদের সব ধরনের কাজ থেকে বিরত রাখার দাবি জানিয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

বৃহস্পতিবার (২২ নভেম্বর) দুপুরে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি চিঠি নির্বাচন কমিশনে জমা দেয়া হয়েছে।

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলালের নেতৃত্বাধীন একটি প্রতিনিধি দল চিঠিটি জমা দেয়।

প্রত্যাহারের দাবি ওঠা অন্যান্য কর্মকর্তার মধ্যে রয়েছেন— পুলিশের অতিরিক্ত আইজি ইকবাল বাহার, নৌ-পুলিশের ডিআইজি শেখ মো. মারুফ হাসান, সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি কামরুল আহসান, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক, খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি দিদার আহম্মেদ, রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি এম খুরশিদ হোসেন, কেএমপি’র কমিশনার হুমায়ুন কবির, ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম, সিএমপি’র কমিশনার মাহবুবুর রহমান, ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার মীর রেজাউল আলম, ঢাকা সিটি এসবির ডিআইজি মো. আলী মিয়া, রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি দেবদাশ ভট্টাচার্য, ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার কৃষ্ণপদ রায়, হেডকোয়ার্টারের ডিআইজি হাবিবুর রহমান, খ. মহিদ উদ্দিন ও আনোয়ার হোসেন, আরএমপি’র ডিআইজি হাফিজুর রহমান, ডিএমপির ডিআইজি আব্দুল বাতেন, র‌্যাব-৪ অধিনায়ক চৌধুরী মঞ্জুরুল কবির, ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার শেখ নাজমুল আলম, খুলনা রেঞ্জের এডিশনাল ডিআইজি একেএম মাহিদুল ইসলাম, পুলিশ হেডকোয়ার্টারের এডিশনাল ডিআইজি মনিরুজ্জামান, সিলেট রেঞ্জের এডিশনাল ডিআইজি জয়দেব কুমার ভদ্র, ঢাকা রেঞ্জের এডিশনাল ডিআইজি মো. আসাদুজ্জামান, ডিবির জয়েন্ট কমিশনার মাহবুব আলম, সিআইডির এসপি মোল্লা নজরুল ইসলাম, টুরিস্ট পুলিশের এএসপি আলতাফ হোসেন, তেজগাঁওর ডিসি (ডিএমপি) বিপ্লব কুমার সরকার, ডিএমপি’র ডিসি হারুন-অর রশিদ, রমনার ডিসি মারুফ হোসেন সরদার, সিএমপির ডিসি এসএম মেহেদী হাসান, ডিএমপির ডিসি খন্দকার নুরুন নবী, সিএমপির ডিসি ফারুকুল হক, কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের ডিসি প্রলয় কুমার জোয়াদ্দার, ডিএমপির ডিসি এসএম মুরাদ আলী, ডিএমপির এডিশনাল ডিসি শিবলী নোমান।

ঢাকার এসপি শাহ মিজান সফি, নারায়ণগঞ্জের মো. আনিসুর রহমান, মুন্সীগঞ্জের এসপি যায়েদুল আলম, নরসিংদীর মিরাজ, টাঙ্গাইলের রঞ্জিত কুমার রায়, মাদারীপুরের সুব্রত কুমার হাওলাদার, ময়মনসিংহের শাহ আবিদ হোসেন, শেরপুরের আশরাফুল আজিম, সিলেটের মনিরুজ্জামান, বরিশালের সাইফুল ইসলাম, ভোলার মুক্তার হোসেন, খুলনার এসএম শফিউল্লাহ, সাতক্ষীরার সাজ্জাদুর রহমান, বাগেরহাটের পঙ্কজ চন্দ্র রায়, যশোরের মঈনুল হক, ঝিনাইদহের হাসানুজ্জামান, কুষ্টিয়ার আরাফাত তানভির, চট্টগ্রামের নূরে আলম মিনা, নোয়াখালীর ইলিয়াস শরিফ, ফেনীর এসএম জাহাঙ্গীর আলম সরকার, কুমিল্লার সৈয়দ নুরুল ইসলাম, রংপুরের মিজানুর রহমান, দিনাজপুরের সৈয়দ আবু সায়েম, ঠাকুরগাঁওয়ের মনিরুজ্জামান, রাজশাহীর শহীদুল্লাহ, চাঁপাইনবাবগঞ্জের মোজাহেদুল ইসলাম, নওগাঁর ইকবাল হোসেন, নাটোরের সাইফুল্লাহ, বগুড়ার আশরাফ আলী, সিরাজগঞ্জের টুটুল চক্রবর্তী এবং পাবনার এসপি রফিক ইসলাম।

মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, নির্বাচন আচরণবিধি লঙ্ঘনে সরকারের এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের কোনো দায়িত্বশীল কর্মকর্তার জড়িত থাকার বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে কিছু দালিলিক প্রমাণ উপস্থাপন করেছি। প্রমাণাদিসহ নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর সরকার কিংবা নির্বাচনী কোনো কর্মকর্তা যে কাজগুলো করতে পারেন না, সেই কাজগুলো অনবরত হচ্ছে। তার কয়েকটি উদাহরণ আমরা তাদের সামনে তুলে ধরেছি এবং এগুলোর প্রতিকার চেয়েছি।

মন্তব্য লিখুন :