‘টাকা না দিলে কী করতে হবে, আমরা জানি’

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ফ্লাইওভারে গ্রীনলাইন পরিবহনের বাসচাপায় পা হারানো প্রাইভেটকারচালক রাসেল সরকারকে বাকি ৪৫ লাখ টাকা দিতে (অন্তত আংশিক) ২২ মে পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছেন হাইকোর্ট। সেইসাথে ক্ষতিপূরণের পূর্ণ অর্থ পরিশোধ না করায় পরিবহন প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষের প্রতি হুঁশিয়ারি প্রদান করেছেন হাইকোর্ট।

গ্রীনলাইন পরিবহনের পক্ষে সময় চেয়ে আবেদন করায় অসন্তোষ প্রকাশ করে বুধবার (১৫ মে) হাইকোর্টের বিচারপতি এফআরএম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

এ সময় আদালত বলেছেন, ক্ষতিপূরণের টাকা পরিশোধ করতেই হবে। টাকা না দিলে কী করতে হবে, আমরা জানি।

আদালত আরও বলেন, আপনাদের ব্যবসা কি বন্ধ হয়ে গেছে? তাতো না। ব্যবসা চলছে। তাহলে কি আমরা রিসিভার নিয়োগ করে দেব?

আদালতে আজ রিট আবেদনকারীর পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খোন্দকার শামসুল হক রেজা ও আইনজীবী উম্মে কুলসুম স্মৃতি। গ্রীনলাইনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী অজি উল্লাহ।

২০১৮ সালের ২৮ এপ্রিল মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভারে কথা কাটাকাটির জেরে গ্রিন লাইন পরিবহনের বাসচালক ক্ষিপ্ত হয়ে প্রাইভেটকার চালকের ওপর দিয়েই বাস চালিয়ে দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাইভেটকার চালক রাসেল সরকারের (২৩) বাম পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পা হারানো রাসেল সরকারের বাবার নাম শফিকুল ইসলাম। গ্রামের বাড়ি গাইবান্ধার জেলার পলাশবাড়িতে। ঢাকার আদাবর এলাকার সুনিবিড় হাউজিং এলাকায় তার বসবাস। এ ঘটনায় সংরক্ষিত আসনের সাবেক সংসদ সদস্য উম্মে কুলসুম স্মৃতি হাইকোর্টে রাসেলের ঘটনায় ক্ষতিপূরণ চেয়ে রিট দায়ের করেন। পরে আদালত ওই রিটের শুনানি নিয়ে রুল জারিসহ রাসেলকে ৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেন।



মন্তব্য লিখুন :