রোহিঙ্গাদের ফেরাতে ওআইসির সাহায্য চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

মিয়ানমারে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর অধিকার রক্ষায় আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিসি) মামলা দায়েরের বিষয়ে ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থাভুক্ত (ওআইসি) দেশগুলোকে সাহায্যের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত ১১ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা মুসলমানদের আশ্রয় দিয়েছে বাংলাদেশ। কিন্তু মিয়ানমার রাখাইন অঞ্চলে একটি সহায়ক পরিবেশ তৈরির প্রতিশ্রুতি মেনে চলতে ব্যর্থ হওয়ায় রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন এখনও অনিশ্চিত।

শনিবার (১ জুন) সকালে সৌদি আরবের মক্কায় ওআইসির চতুর্দশ সম্মেলনে এশিয়া গ্রুপের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখার সময় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। মক্কার সাফা প্যালেসে এই অনুষ্ঠান হয়।

গত মার্চে আবুধাবিতে ওআইসির পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে রোহিঙ্গাদের আইনগত অধিকার নিশ্চিত করার জন্য এবং জবাবদিহি ও বিচার সম্পর্কিত প্রশ্নের বিষয়টি সামনে আনার লক্ষ্যে এই ইস্যুকে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে যাওয়ার একটি পথ নির্দেশনা তৈরি করা হয়েছে।

এ প্রক্রিয়াকে এতদূর নিয়ে আসার জন্য গাম্বিয়াকে ধন্যবাদ জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আমরা স্বেচ্ছায় তহবিল ও কারিগরি সহায়তার দিয়ে মামলাটি চালু করার জন্য সদস্য রাষ্ট্রগুলোর আছে আবেদন করছি।

সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদের প্রতি বাংলাদেশের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। এ ব্যাপারে ওআইসির সক্রিয়তা প্রত্যাশা করেন তিনি।

ওআইসিভুক্ত ৫৭টি সদস্য রাষ্ট্রের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান এবং প্রতিনিধিরা এই সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন।

মন্তব্য লিখুন :