দাম বাড়ছে যেসব পণ্যের, কমছে যেসব পণ্যের

‘সমৃদ্ধ আগামীর পথযাত্রায় বাংলাদেশ : সময় এখন আমাদের, সময় এখন বাংলাদেশের’ শিরোনামে ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এটি ক্ষমতাসীন সরকারের চলতি মেয়াদের প্রথম এবং দেশের ৪৮তম বাজেট।

প্রস্তবিত বাজেটে যেমন কিছু পণ্যের দাম বাড়তে যাচ্ছে তেমনি কিছু পণ্যের দাম কমতেও যাচ্ছে। দেখে নেওয়া যাক সেসব পণ্যের তালিকা।

দেশীয় শিল্প রক্ষায় যে সকল পণ্যের আমদানি শুল্ক-কর বাড়ানো হয়েছে, সেগুলো হলো— গুঁড়ো দুধ, অপরিশোধিত চিনি, পরিশোধিত চিনি।

প্রাকৃতিক মধুর আমদানি শুল্ক ১০ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করা হয়েছে। অলিভ ওয়েল আমদানি শুল্ক ১০ থেকে বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করা হয়েছে।

ওভেন, বিভিন্ন ধরনের কুকার, কুকিং প্লেট, গ্রিলার, রোস্টারের সম্পূরক শুল্ক ০ থেকে ২০ শতাংশ করা হয়েছে। স্মার্ট ফোনের শুল্ক বাড়ানো হয়েছে।

আইসক্রিমের ওপর ৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপ। মোবাইল ফোনে কথা বলায় খরচ বাড়ছে।

সয়াবিন তেল, পাম ওয়েল, সান ফ্লাওয়ার তেল, সরিষার তেলের আমদানি পর্যায়ের ওপর মূসক আরোপ করা হয়েছে।

টিভি ও অনলাইনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সরবরাহকারী, স্থানীয় পর্যায়ে জ্যোতিষী ও ঘটকালিতে মূসক আরোপ।

প্লাস্টিক ও অ্যালুমিনিয়ামের তৈরি তৈজসপত্র আমদানিতে মূসক আরোপ

যাত্রীবাহী বাস, স্কুল বাস, ট্রাক লরি, থ্রি হুইলার ও অ্যাম্বুলেন্স ব্যতীত সব প্রকার গাড়ির রেজিস্ট্রেশন, রুট পারমিট, ফিটনেস সনদ, মালিকানা সনদ নবায়ন ও গ্রহণের ক্ষেত্রে পরিশোধিত চার্জের ওপর ১০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপ।

চার্টার্ড বিমান ও হেলিকপ্টারের সম্পূরক শুল্ক বেড়েছে।

আমদানি করা মোটরসাইকেলের দাম বাড়বে।

প্রস্তাবিত বাজেটে যেসব পণ্যের দাম কমতে পারে তা হলো-

দেশে তৈরি ফ্রিজ, ক্যান্সারের ওষুধ, দেশে তৈরি লিফট, রফতানিমুখী পোশাক, চামড়াজাত জুতা, তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর সেবা, স্বর্ণ, রড, ইলেকট্রিক মোটর, বিস্কুট ও বেকারি পণ্য, অগ্নিনির্বাপক পণ্য।

দেশে উৎপাদিত মোটরসাইকেলের দাম কমবে।

কৃষি যন্ত্রপাতি পাওয়ার রিপার, পাওয়ার টিলার অপারেটেড সিডার, কম্বাইন্ড হারভেস্টর, লোরোটারী টিলার, লিস্ট পাম্পের স্থানীয় উৎপাদন পর্যায়ে মূসক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

মন্তব্য লিখুন :