৪০ লাখ টাকার ঘুষ কেলেঙ্কারি: মিজান ও বাছিরের বিরুদ্ধে মামালা

পুলিশের সাময়িক বরখাস্ত উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমান ও দুদকের সাময়িক বরখাস্ত পরিচালক এনামুল বাছিরের বিরুদ্ধে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ লেনদেনের অভিযোগে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। 

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) দুদক পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্যা ঢাকার এক নম্বর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাটি দায়ের করেন। দুদক সূত্র বিষয়টি বণিক বার্তাকে নিশ্চিত করেছে।

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ থেকে রেহাই পেতে দুদকের পরিচালক এনামুল বাছিরকে ৪০ লাখ টাক ঘুষ দিয়েছেন বলে গত মাসের শুরুতে নিজেই অভিযোগ করেন পুলিশের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজান। অভিযোগটি অস্বীকার করে বাছির দাবি করেন, তার কণ্ঠ নকল করে ডিআইজি মিজান কিছু 'বানোয়াট' রেকর্ড একটি টেলিভিশনকে সরবরাহ করেছেন।

অভিযোগ ওঠার গত ১২ জুন বাছিরকে সরিয়ে দুদকের আরেক পরিচালক মো. মঞ্জুর মোরশেদকে অনুসন্ধান কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়।

ফরেনসিক পরীক্ষায় কথোপকথন, পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি ও প্রমাণাদি দুই কর্মকর্তার ঘুষ লেনদেনের বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়ে উঠে। অডিও রেকর্ডে প্রমাণ আছে দুদক পরিচালক এনামুল বাছির ঘুষ গ্রহণ করেছেন। অন্যদিকে ডিআইজি মিজান নিজেই ঘুষ দেয়ার কথা প্রকাশ্যে বলেছেন। দুদক মনে করছে, এর মাধ্যমে ডিআইজি মিজান নিজের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিজেই প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

মন্তব্য লিখুন :