ইইউর শেনজেনে প্রবেশ করতে পারবেন না বাংলাদেশীরা

মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে সীমান্ত বন্ধ করার পর আবারো তা খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। চীন, ভারতসহ বিশ্বের ৫৪টি দেশের নাগরিকরা ইইউর শেনজেন জোনে প্রবেশ করতে পারবেন। তবে বাংলাদেশের জন্য বন্ধই থাকছে শেনজেন সীমান্ত।

ইইউর ২২ দেশ এবং এর বাইরের চারটি দেশ নিয়ে শেনজেন জোন গঠিত। ইইউর পাসপোর্ট ফ্রি জোন হিসেবে পরিচিত শেনজেন। এই এলাকার যেকোনও দেশের নাগরিক শেনজেনভুক্ত যেকোনও সদস্য দেশ সফর করতে পারেন। শেনজেন এলাকায় কোনো সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ নেই।

ইইউর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রত্যেক দেশের মহামারি পরিস্থিতি, করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে নেয়া পদক্ষেপ, ভ্রমণের সময় সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের সক্ষমতা এবং ভ্রমণ সংক্রান্ত বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করা হয়েছে কিনা; এসব বিষয় যাচাই করা হবে।

গত ১১ জুন ইউরোপীয় কমিশনের শেনজেন সীমান্ত ১৫ জুন থেকে পুনরায় খুলে দেয়ার বিষয়ে সুপারিশ উত্থাপন করে। এতে ইউরোপীয়রা মহামারির আগে শেনজেন অঞ্চলে যেভাবে অবাধ চলাচল করতে পারতেন, সীমান্ত খুলে দেয়া হলে একইভাবে অবাধ চলাচলের সুপারিশ করা হয়।

শেনজেনভুক্ত দেশগুলো হলো অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, চেক প্রজাতন্ত্র, ডেনমার্ক, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, গ্রিস, হাঙ্গেরি, আইসল্যান্ড, ইতালি, লাতভিয়া, লিচেটেনস্টেইন, লিথুয়ানিয়া, লুক্সেমবার্গ, মালটা, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, পোল্যান্ড, পর্তুগাল, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, স্পেন, সুইডেন ও সুইজারল্যান্ড।