নিজের বাড়ি যখন অফিস!

ব্রিটেনভিত্তিক একটি বহুজাতিক কোম্পানি অটোম্যাটিকের কর্মী সংখ্যা ৯৩০। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটির কোনো অফিস নেই! প্রত্যেক কর্মী নিজ বাড়ি বা অন্যত্র বসে কাজ করছেন। প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা কেট হাস্টন বলেন, আমাদের প্রতিষ্ঠানের এটিই নীতি, সংস্কৃতি। কেউ আর এখন অফিসের কথা মুখে আনে না।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অনেক প্রতিষ্ঠানেরই এখন কেন্দ্রীয় কোনো অফিস নেই। দ্রুতগতির ইন্টারনেট, মেসেজিং এবং ভিডিও অ্যাপ, তদারকি এবং নজরদারি করার জন্য বিভিন্ন সফটওয়্যারের বদৌলতে এখন গতানুগতিক অফিস করার প্রয়োজন পড়ছে না।

এসব প্রতিষ্ঠান বিশ্বের নানা জায়গায় কর্মী নিয়োগ করছে। তারা বাড়ি বা কাছাকাছি কোথাও অল্প জায়গা ভাড়া করে কাজ করছে। এমনকি কফিশপে বসেও চলছে কাজ। বাসায় অফিস তৈরির সরঞ্জামের অর্থ, কফিশপে কফি খাওয়ার বিল দেয়া হচ্ছে। অন্য কোথাও চেয়ার-টেবিল ভাড়ার প্রয়োজন হলে সেই বিলও দিচ্ছে প্রতিষ্ঠান।

এতে স্থায়ী অফিস তৈরির চেয়ে অনেক কম খরচ হচ্ছে। কর্মীদের মধ্যে দেখা করার প্রয়োজন হলে তারা এক শহর বা দেশ থেকে অন্য দেশ বা শহরে ভ্রমণ করছে।এ বিষয়ে ব্রিটেনের এক্সিটার বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ইনসিওগ্লু বলেন, এই প্রবণতা দিন দিন বাড়ছে। মালিকপক্ষের খরচ কমছে। কর্মীদের প্রতিদিন ভিড় ঠেলে অফিসে যাওয়া লাগছে না। 


বিবিসি

মন্তব্য লিখুন :