ব্যালন ডি’অর: সেরা দশে থাকতে পারে যারা

ব্যালন ডি’অরের জন্য প্রথমে ৩০ জনের নাম ঘোষণা করা হয়। এই ৩০ জন থেকে ১০ জনের একটি শর্টলিস্ট করা হবে। সেখান থেকে আরও একটি শর্টলিস্ট হবে তিনজনের। এরপর ওই তিনজন থেকে একজনকে দেওয়া হবে সেরার পুরস্কার।

ইতোমধ্যেই এবারের ব্যালন ডি’অরের জন্য ৩০ জনের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। তবে এখনো ১০ জনের ছোট তালিকা প্রকাশ করেনি ফ্রান্স ফুটবল সংস্থা। ব্যালন ডি’অর কর্তৃপক্ষ নাম ঘোষণা না করলেও সম্ভাব্য ১০ জনের একটি তালিকা প্রকাশ করেছেন বিখ্যাত সাংবাদিক মার্ক অগডেন। দেখে নেওয়া যাক তার তালিকায় কারা কারা স্থান পেয়েছেন।

মোহাম্মদ সালাহ: মিশর ও লিভারপুলের এই তারকা গতবার মোট গোল করেছেন ৪৬টি। এর মধ্যে লীগেই তার গোল ৩২টি। গতবার কোনো শিরোপা জিততে না পারলেও লিভারপুলকে চ্যাম্পিয়ন্স লীগের ফাইনালে তুলেছেন তিনি। মিশরকে বিশ্বকাপে নিয়ে যেতেও তার দারুণ ভূমিকা ছিল।

কিলিয়ান এমবাপ্পে: ফ্রান্স ও পিএসজির এই তারকা গত মৌসুমে নিজের জাত চিনিয়েছেন। ফ্রান্সের হয়ে বিশ্বকাপ জেতার পাশাপাশি পিএসজির হয়ে জিতেছেন দুই শিরোপা। মৌসুমে মোট করেছেন ২৮ গোল।

লিওনেল মেসি: আর্জেন্টিনা ও বার্সেলোনার এ তারকা গত ১০ বছর ধরেই ব্যালন ডি’অরের সেরা তিনে থাকছেন। বার্সেলোনার হয়ে এবার লা লিগাসহ দুই শিরোপা জিতলেও জাতীয় দলের জার্সি গায়ে ব্যর্থ তিনি। এই তারকা গত মৌসুমে করেছেন ৪৯ গোল।

ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো: গতবার চ্যাম্পিয়ন্স লীগের সব ইতিহাস ভেঙে দিয়ে ১৫ গোল করেন পর্তুগিজ যুবরাজ। তবে রিয়ালের হয়ে তার সাফল্য শুধু চ্যাম্পিয়ন্স লীগ জেতাই। বিশ্বকাপে একটি হ্যাটট্রিক করলেও বিদায় নিতে হয় শেষ ষোলো থেকে। তবে এই তারকা গতবার মোট ৪৭ গোল করেছেন।

আতোয়ান গ্রিজম্যান: জাতীয় দলের জার্সিতে জিতেছেন বিশ্বকাপ আর ক্লাবের জার্সিতে ইউরোপা লীগ। মৌসুমে গোল করেছেন ৩২টি। তাই তাকে সেরা দশেই রেখেছেন অগডেন। আশা সেরা তিনেও থাকবে ফ্রান্স তারকা।

নেইমার জুনিয়র: ইনজুরির কারণে গত বছরটা বাজেভাবে কেটেছে ব্রাজিল তারকার। টানা আড়াইমাস মাঠের বাইরে থাকার পরও পিএসজির হয়ে গোল করেছেন ২৮টি। জাতীয় দলের হয়েও আছে চার গোল। তবে বিশ্বকাপে খারাপ পারফরম্যান্স এই তারকার।

রাফায়েল ভারানে: রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লীগ জিতেছেন ফ্রান্স তারকা। জিতেছেন প্রান্সের হয়ে বিশ্বকাপও। এ জন্যই এই ডিফেন্ডারকে সেরা দশে দেখার আশা করছেন অগডেন।

লুকা মদ্রিচ: এবারের ব্যালন ডি’অর জেতার প্রবল সম্ভাবনাটা তারই। ইতোমধ্যে ফিফা বেস্ট ও উয়েফার ম্যানস পুরস্কার জিতে নিয়েছেন তিনি। রিয়ালের হয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লীগ জেতার পাশাপাশি বিশ্বকাপের ফাইনালে ক্রোয়েশিয়াকে নিয়ে যেতে তার ভূমিকা ছিল সবচেয়ে বেশি।

এডেন হ্যাজার্ড: চেলসির হয়ে বলার মতো কিছুই করেননি তিনি। পুরো মৌসুমে গোল ২২টি। তবে বিশ্বকাপে বেলজিয়ামকে সেমিতে তুলতে তার অবদান ছিল বিরাট। এই জন্যই তাকে সেরা দশে দেখার আশা করছেন অগডেন।

মন্তব্য লিখুন :