সবার আছে, শুধু বাংলাদেশের নেই

আয়ারল্যান্ডে এখন চলছে তিনজাতিক টুর্নামেন্ট। স্বাগতিক আয়ারল্যান্ডের সাথে এ সিরিজে অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ইতোমধ্যে প্রথম রাউন্ডের সব ম্যাচ শেষ হয়ে গেছে। এখন বাকি আছে শুদু ফাইনাল। ১৭ মে ডাবলিনে অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যকার ফাইনাল ম্যাচটি।

এ টুর্নামেন্টের গ্রুপ পর্বে বেশ কয়েকটি অসাধারণ সেঞ্চুরি দেখেছে ক্রিকেট বিশ্ব। তার মধ্যে সিরিজের প্রথম ম্যাচে শাই হোপ আর জন ক্যাম্পবেলের ডাবল সেঞ্চুরি অনেকদিন মনে রাখবে ক্রিকেট ভক্তরা।

সব মিলিয়ে এ সিরিজে এখন পর্যন্ত ছয়টি সেঞ্চুরি হয়েছে। এর মধ্যে আয়ারল্যান্ড দুইটি ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের খেলোয়াড়রা পেয়েছে চারটি সেঞ্চুরি। মানে বাংলাদেশের কোনো খেলোয়াড়ই এখনো সেঞ্চুরির দেখা পায়নি।

সেঞ্চুরি না পেলেও তিন ম্যাচে পেয়েছে আটটি হাফসেঞ্চুরির দেখা। যার মধ্যে তিনটি অনায়াসেই সেঞ্চুরি হতে পারতো। প্রথম ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দারুণ শুরু এনে দেন তামিম ইকবাল ও সৌম্য সরকার। তাদের দু’জনের হাতেই ছিল সেঞ্চুরির সুযোগ। কারণ ম্যাচে চাপ বলতে কিচুই ছিল না।

তবে সৌম্য ওই ম্যাচে ৬৮ বলে ৭৩ রান করে সাজঘরে ফেরেন। এরপর তামিম ফেরেন ৮০ রান করে। এই ম্যাচে সহজেই সেঞ্চুরি করার কথা ছিল তামিমের। কারণ সাকিব মারমুখি খেলে ম্যাচ আগেই আয়ত্বে নিয়ে এসেছিলেন। তবে এরপরও তামিম নিজের ইনিংস বড় করতে ব্যর্থ হয়ে ফেরেন ৮০ রান করে।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচেও একই অবস্থা। সৌম্য্য সরকার ফেরেন ৫৪ রান করে। আর মুশফিক সেঞ্চুরির সহজ সুযোগ পেয়েও আউট হন ৬৩ রানে। শেষ ম্যাচে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সেঞ্চুরির সুযোগ হাতছাড়া করেন তামিম ইকবাল ও লিটন দাস। ২৯২ রান তাড়া করতে নেমে এই দু’জন ওপেনিং জুটিতে তোলেন ১১৭ রান।

তবে এরইমধ্যে তামিম মারমুখি খেলতে গিয়ে ফেরেন ৫৭ রান করে। এরপর লিটন দাস ৬৭ বলে ৭৬ রান করে ফিরলে আবারও সেঞ্চুরি বঞ্চিত হয় বাংলাদেশ।

ইনিংস বড় করতে না পারা অবশ্য্যই ভাবাচ্ছে বাংলাদেশের নির্বাচকদের। তবে তারা আশা করছেন ব্যাটসম্যানরা আরও দায়িত্ব নিয়ে খেলবেন।

মন্তব্য লিখুন :