শিরোপা ঘরে তুলল আয়াক্স

পাঁচ মৌসুম পর আবারো শিরোপা ঘরে তুলল আয়াক্স। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের দুঃখ ভুলে শেষ ম্যাচে গ্রাফসচ্যাপকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে এরিক টেন হ্যাগের শিষ্যরা। এ নিয়ে রেকর্ড ৩৪ বার ডাচ লিগে চ্যাম্পিয়ন হলো ক্লাবটি।

এ আনন্দটা আরও একটু বাড়তে পারতো ইউসিএলের ফাইনালের মঞ্চে যদি জায়গা করে নিতো দলটা। কিন্তু যা এসেছে তা'ই বা কম কি। টানা ৪ লিগ জেতার পর, গত চার মৌসুম যে শিরোপাটাকে বার বার হারাতে হয়েছে পিএসভি'র কাছে। এবার তাই চির প্রতিদ্বন্দ্বীদের হটিয়ে শিরোপা উৎসবে মাতার দিনে একটু বেশি-ই উদ্বেলিত এরিক টেন হ্যাগ শিষ্যরা।

ইয়োহান ক্রুইফের অনুজরা মৌসুমের শুরু থেকেই ছিলেন দারুণ ছন্দে। কি এরেদিভিসি, কি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ যেখানে পা রেখেছে ডিলিট-টাডিচরা চমক দেখিয়েছেন একের পর এক। একটুর জন্য ওয়ান্ডা মেট্রোপলিটানোর টিকিট কাটতে পারেনি এরিক টেন বাহিনী। তাই বলে তো আর থেমে যাওয়া যাবে না। বাস্তবতা মেনে তাই ভিভেরবার্গ স্টেডিয়ামে আতিথ্য নেয় আয়াক্স।

ড্র করলেই শিরোপা এমন সমীকরণের সামনে পুরো শক্তির একাদশ মাঠে নামান এরিক টেন হ্যাগ। মাঠে নেমেই বাজ পাখির ক্ষিপ্রতায় প্রতিপক্ষের বক্সে হামলে পড়ে তারা। তবে গোল পেতে বেশ অপেক্ষা করতে হয়েছে আয়াক্সকে। ৩৭ মিনিটে প্রথমবার এগিয়ে যায় তারা। স্কোর করেন শোনে। লিডটা বেশিক্ষণ টেকেনি আয়াক্সের। তিন মিনিট পরে জেবলির গোলে সমতায় ফেরে স্বাগতিকরা।

তবে জেতার নেশায় বুঁদ আয়াক্সকে থামানোর কোন মন্ত্রই জানা ছিলোনা ডি জং শিষ্যদের। প্রথমার্ধের শেষ দিকে এক গোল করে দলকে লিড এনে দেন টালিয়াফিকো।

বিরতি থেকে ফিরে একটু মন্থর হয় খেলার গতি। মাঝ মাঠ গুছিয়ে আক্রমণের কৌশল নেয় দু'দলই। এর মাঝে ৬৭ মিনিটে পেনাল্টি পেয়ে যায় আয়াক্স। ৩য় গোল করেন তাদিচ। এ গোলটাই সব আশা শেষ করে দেয় স্বাগতিকদের।

তাদের হতাশার মাঝে ম্যাচের অন্তিম মুহূর্তে আরও এক গোল করেন তাদিচ। ৪-১'র বড় জয় নিয়ে শিরোপা উঁচিয়ে ধরে আয়াক্স।

মন্তব্য লিখুন :