একরাশ হতাশা উপহার দিল টাইগার বোলাররা

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের দৌড়ে টিকে থাকার লড়াইয়ে একরাশ হতাশা উপহার দিয়েছে টাইগার বোলাররা। সাকিব-মোস্তাফিজদের তুলোধুনা করে অস্ট্রেলিয়া করেছে ৩৮১ রান। বাংলাদেশের জিততে চাই এখন ৩৮২ রান।

টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে দারুণ শুরু করে অস্ট্রেলিয়া। শত চেষ্টার পরও অজিদের ওপেনিং জুটিতে চিড় ধরাতে পারছিল না বাংলাদেশ। দুই ওপেনার ব্যাটিং ঝড় তুলে করে ফেলে শতরানের জুটি।

এই যখন অবস্থা তখন মাশরাফি বোলিংয়ে আনেন সৌম্য সরকারকে। এই বোলার নিজের প্রথম ওভারের পঞ্চম বলে অর্ধশত করা অ্যারন ফিঞ্চকে রুবেল হোসেনের ক্যাচ বানান। এতে ভাঙে ১২১ রানের ওপেনিং জুটি।

এই জুটি ভাঙার পর ওসমান খাজাকে নিয়ে ফের জুটি গড়েন ওয়ার্নার। এরইমাঝে ৩৩তম ওভারে ১০৯ বলে ওয়ার্নার তুলে নেন সেঞ্চুরি। অন্যপ্রান্তে ঝড় উঠান ওসমান খাজাও। এই দু’জন দ্বিতীয় উইকেটে যোগ করেন ১৯২ রান।

৪৫তম ওভারে এসে এই জুটি ভাঙেন সেই পার্টটাইম বোলার সৌম্য সরকার। এবার তিনি ফেরান ১৪৭ বলে ১৪ চার আর ৫ ছয়ে ১৬৬ রান করা ওয়ার্নারকে। তবে ততক্ষণে অস্ট্রেলিয়ার রান হয়ে গেছে ৩১৩। এরপর ক্রিজে এসে ছোটখাটো ঝড় তোলেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। মাত্র ১০ বলে তিনি করেন ৩২ রান।

এই ব্যাটসম্যান ৪৭তম ওভারের দ্বিতীয় বলে রানআউটের শিকার হন। একই ওভারে ৭২ বলে ৮৯ রান করা ওসমান খাজাকে ফেরান সৌম্য। তখন রান ছিল ৩৫৩। এরপর ৪৯তম ওভার শেষ হতেই নামে বৃষ্টি। এর আগে ৫ উইকেট হারিয়ে ৩৬৮ রান তোলে অজিরা। প্রায় ২০ মিনিট পর বৃষ্টি থেমে গেলে ব্যাটিংয়ে নামে অজিরা। শেষ ওভারে ১৩ রানের সুবাদের তাদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩৮১ রান।

মাশরাফি বিন মুর্তজা ৮ ওভার বর করে ৫৬ দিয়ে কোনো উইকেট নিতে পারেননি। সাকিব আল হাসান ৬ ওভারে দিয়েছেন ৫০ রান। রুবেল হোসেন ৯ ওভারে দিয়েছেন ৮৩ রান। মিরাজ ১০ ওভারে দিয়েছেন ৫৯ রান। এই তিনজনও উইকেটের দেখা পাননি।

বাংলাদেশের হয়ে উইকেটের দেখা পেয়েছেন শুধু দুইজন। পার্টটাইম বোলার সৌম্য সরকার ৮ ওভার বল করে ৫৮ রান খরচায় নেন ৩ উইকেট। মোস্তাফিজুর রহমান ৯ ওভারে ৬৯ রান দিয়ে নিয়েছেন ১ উইকেট।

মন্তব্য লিখুন :