মুশফিকের লক্ষ্য ২০২৩ বিশ্বকাপ

লিগ পর্বেই বাংলাদেশকে শেষ করতে হয়েছে দ্বাদশ বিশ্বকাপ। দলীয় ভাবে সফলতা না আসাটাই যার কারণ। এক সাকিব আল হাসান ছাড়া জ্বলে উঠতে পারেনি কেউ। তবে দলের অন্যতম ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম ছিলেন বাকিদের চাইতে আলাদা। ধারাবাহিক ভাবে পেয়েছেন রান। শুরুর দিকে মোস্তাফিজুর রহমান জ্বলে উঠতে না পারলেও শেষ দুই ম্যাচে দুইবার পাঁচ উইকেট করে নিয়ে জায়গা করে নিয়েছেন উইকেট সংগ্রাহকের তালিকায় চার নম্বরে।

সাকিবের যেখানে ৬০৬ রানের সঙ্গে ১১ টি উইকেট সেখানে মুশফিক দলের হয়ে দ্বিতীয় রান সংগ্রাহক। এটাও বা কম কিসে। তবে প্রত্যাশা অনুযায়ী নয়।

ওয়ানডে দলের বর্তমান অধিনায়ক মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা আগেই জানিয়ে দিয়েছেন নিজের শেষ বিশ্বকাপটা ২০১৯। পঞ্চপাণ্ডবের একজনের বিদায়। এই তালিকায় আছেন সাকিব, তামিম, মুশফিক আর মাহমুদুল্লাহ।

ক্রিকবাজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে মুশফিক জানিয়ে দিয়েছেন, ২০২৩ বিশ্বকাপ খেলতে চান। বর্তমানে মুশফিকের বয়স ৩২ চলছে। আগামী বিশ্বকাপে সেটা ৩৬ এ দাঁড়াবে। বয়স ছাপিয়ে মুশফিকের আশা, আগামী বিশ্বকাপেও দেশের হয়ে খেলতে পারবেন তিনি।

এ নিয়ে মুশফিক বলেছেন, অবশ্যই আমার একটি বড় পরিকল্পনা রয়েছে, তবে সিরিজ-বাই-সিরিজ চিন্তা করতে পছন্দ করি এবং সে অনুযায়ী প্রস্তুত হই ও অনুশীলন করি। যখন আপনি সিরিজ বাই সিরিজ চিন্তা করবেন, এটা আপনার ফর্ম ধরে রাখতে সাহায্য করে। যদি আপনি অনেক দূরের কিছু চিন্তা করেন, তখন ধারাবাহিকতা টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে যায়। তবে আমার লক্ষ্য ২০২৩ বিশ্বকাপে খেলা।

বিশ্বকাপে চার নম্বরে ব্যাটিং করেছেন। এটা শুধু বিশ্বকাপেই নয়, গত কয়েক বছর ধরেই এই পজিশনে অনেক সফলতা পেয়েছেন মুশফিক। বিশ্বকাপে আট ম্যাচে মোট করেছেন ৩৬৭ রান। ২০১৫ সালের শুরু থেকে দেখলে তার ব্যাটিং গড় ৪৭.২১ যা দেশের গণ্ডি ফেরিয়ে বিশ্বের অন্যতম সেরা চার নম্বর ব্যাটসম্যান হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন তিনি। যা মুশফিককে সাহস যোগায় ২০২৩ বিশ্বকাপ নিয়ে ভাবতে।

‘আপনি যদি দেখেন এবারের বিশ্বকাপে রস টেইলরের পরেই চার নম্বরে দ্বিতীয় সেরা ব্যাটসম্যান আমি। হ্যাঁ, এটা আমার জন্য অনেক বড় পাওয়া। এর জন্য অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছে, করছিও। আমি চ্যালেঞ্জ নিতে পছন্দ করি। এই চ্যালেঞ্জ আমাকে ভালো খেলতে অনুপ্রাণিত করে।’


মন্তব্য লিখুন :