লড়ার পুঁজিটাও পেল না অস্ট্রেলিয়া

স্টিভ স্মিথের ৮৫ রানের দারুণ একটি ইনিংসের পরও সেমিফাইনালে লড়াই করার মতো যথেষ্ট পুঁজি গড়তে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। এর মূল কারণ আদিল রশিদ আর ক্রিস ওকস। এই দুইজনের বিধ্বংসী বোলিংয়ে মাত্র ২২৩ রানে অলআউট হয়েছে অজিরা।

বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) বাংলাদেশ সময় বিকাল সাড়ে ৩টায় বার্মিংহামের এজবাস্টনে খেলাটি শুরু হয়।

তবে খেলা শুরু হতে না হতেই বিপাকে পড়ে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা। ১৪ রানের মধ্যেই তারা হারিয়ে ফেলেছে তিন উইকেট। তবে অ্যালেক্স ক্যারিকে সাথে নিয়ে পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তুলেছেন স্টিভ স্মিথ।

ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই জফরা আর্চারের বলে এলবিডব্লিউর শিকার হন অ্যারন ফিঞ্চ। এরপর দলীয় ১০ রানের মাথায় ব্যক্তিগত ৯ রান করে বিদায় নেন ডেভিড ওয়ার্নার। এবার আঘাত হানেন ক্রিস ওকস।

এরপর সপ্তম ওভারের প্রথম বলে ফের আঘাত হানেন ওকস। এবার তার শিকার পিটার হ্যান্ডসকম্ব। তিনি ফেরেন দলীয় ১৪ রানের মাথায় ৪ রান করে।
এরপর আর অস্ট্রেলিয়াকে বিপর্যয়ের মুখে পড়তে দেননি স্মিথ। ক্যারিকে নিয়ে তিনি গড়ে তুলেন প্রতিরোধ। প্রথমে তারা দেখেশুনে খেললেও ক্রিজে সেট হতেই চালাতে শুরু করেন ব্যাট। তবে তাদের জুটি যখন বড় সংগ্রহের পথ দেখাচ্ছিল তখনই জোড়া আঘাত হানেন আদিল রশিদ।

সংক্ষিপ্ত স্কোর: অস্ট্রেলিয়া ২২৩-১০ (৪৯)

স্টিভ স্মিথ ৮৫ (১১৯), অ্যালেক্স ক্যারি ৪৬ (৭০), মিচেল স্টার্ক ২৯ (৩৬)।

ক্রিস ওকস ৮-২০-৩, আদিল রশিদ ১০-৫৪-৩, জফরা আর্চার ১০-৩২-২।

২৮তম ওভারে তার প্রথম শিকার হন ক্যারি। ৭০ বলে ৪৬ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি। এতে ভাঙে ১১৩ রানের জুটি। একই ওভারে স্টোইনিসকে ফেরান রশিদ।

এরপর ম্যাক্সওয়েলকে নিয়ে প্রকিরোধের চেষ্টা করেন স্মিথ। তবে সে চেষ্টাও ব্যর্থ হয়। মাত্র ২২ রান করে জফরা আর্চারের শিকার হয়ে সাজঘরে ফেরেন ম্যাক্সওয়েল। এরইমধ্যে নিজের হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন স্মিথ।

তবে তাকে সঙ্গ দিতে পারেনি কেউ। দ্রুত সাজঘরে ফিরে যান প্যাট কামিন্সও। এতেই ১৬৬ রানে চলে যায় অজিদের ৭ উইকেট। তবে এই অবস্থা থেকে অস্ট্রেলিয়াকে টেনে তুলেন স্মিথ আর স্টার্ক। অষ্টম উইকেটে এই দুজন গড়েন ৫১ রানের দারুণ এক জুটি। স্মিথ ১১৯ বলে ৮৫ রান করে রানআউটের শিকার হলে বাঙে জুটি।

এরপর শেষ দুই উইকেট হারিয়ে অজিরা যোগ করে মাত্র ৬ রান। শেষ পর্যন্ত ৪৯ ওভার খেলে তারা থামে ২২৩ রানে।

মন্তব্য লিখুন :