২০১৯-২০ মৌসুমের সবচেয়ে ব্যয়বহুল ১০ ট্রান্সফার

ইতোমধ্যেই ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগের দলবদলের সময়সীমা শেষ হয়ে গেছে। আগামী মাসের ৫ তারিখের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে ইউরোপের সবকটি শীর্ষ লীগের দলবদল। এখন চলছে শেষদিকের উত্তাপ। যদিও বেশিরভাগ দল আগেই তাদের পছন্দের খেলোয়াড় কিনে নিয়েছে। আবার ছেড়েছে অপ্রয়োজনীয় খেলোয়াড়দের।

এবারের মৌসুমে বেশ কয়েকটি বড় দলবদলের ঘটনা ঘটেছে। তবে সবাইকে চমকে দিয়ে সবচেয়ে বেশি দামে দল পরিবর্তন করেছেন মাত্র ১৮ বছরের উঠতি তারকা জোয়াও ফেলিক্স। বেনফিকা থেকে এ তারকাকে ভেড়াতে অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদের ১২৬ মিলিয়ন খরচ হয়েছে। এছাড়াও এডেন হ্যাজার্ড ও আতোয়ান গ্রিজম্যান ১০০ মিলিয়ন বা তার বেশি দামে বিক্রি হয়েছেন।

জোয়াও ফেলিক্স: পর্তুগিজ এই তরুণ ডাকা হয় নতুন রোনালদো নামে। তার দিকে নজর ছিল বার্সেলোনা, রিয়াল মাদ্রিদ, পিএসজিসহ ৮ ক্লাবের। তবে সবাইকে হারিয়ে ১২৬ মিলিয়নে ফেলিক্সকে নিজেদের করে নেয় অ্যাতলেটিকো। তার সাথে চুক্তি হয়েছে ৬ বছরের।

আতোয়ান গ্রিজম্যান: ফরাসি তারকা গত মৌসুমেই বার্সায় আসতে চেয়েছিলেন। তবে সেবার তা সম্ভব হয়নি। অবশেষে নতুন মৌসুমের মাঝপথেই ১২০ মিলিয়নে ৫ বছরের চুক্তিতে অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদ ছেড়ে তিনি বার্সায় যোগ দেন।

এডেন হ্যাজার্ড: ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো চলে যাওয়ায় তার যোগ্য উত্তরসূরি খুঁজছিল রিয়াল মাদ্রিদ। তারা সে অভাব পূরণ করেছে চেলসি থেকে ১০০ মিলিয়নে বেলজিয়ার ফরোয়ার্ড হ্যাজার্ডকে দলে টেনে। যদিও তা চেলসির ইচ্ছার বিরুদ্ধে হয়েছে। তবে ৪ বছরের জন্য এখন রিয়ালেই খেলবেন হ্যাজার্ড।

হ্যারি মিগুয়ের: লেস্টার সিটি থেকে ৮৫ মিলিয়ন পাউন্ডের বিনিময়ে হ্যারি মিগুয়েরকে দলে ভিড়িয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। এর ফলে ইংলিশ এই তারকাই এখন বিশ্বের সবচেয়ে দামি ডিফেন্ডার হিসেবে নিজেকে পরিচয় করিয়ে দিলেন। হ্যারির সাথে ৫ বছরের চুক্তি করছে ম্যানচেস্টার। ৮৫ মিলিয়নের মধ্যে লেস্টার সরাসরি পাবে ৮০ মিলিয়ন। বাকি ৫ মিলিয়ন এডস অন হিসেবে দেওয়া হয়েছে।

রোমেলু লুকাকু: ম্যানচেস্টার ইউটাইটেড ছেড়ে ইতালির ক্লাব ইন্টার মিলানে যোগ দিয়েছেন বেলজিয়ান স্ট্রাইকার রোমেলু লুকাকু। এই তারকার জন্য ইতালির ক্লাবটির খরচ হয়েছে ৮০ মিলিয়ন। চুক্তি হয়েছে ৪ বছরের জন্য।

লুকাস হার্নান্দেজ: এবারের মৌসুমের সবচেয়ে অপ্রত্যাশিত দলবদল ছিল লুকাসের। ফরাসি এই তারকাকে ৮০ মিলিয়নে দলে টেনেছে বায়ার্ন মিউনিখ। তাদের চুক্তি ৬ বছরের জন্য।

ফ্রাঙ্কি ডি জং: ডাচ এই মিডফিল্ডার ছিলেন বার্সেলোনার মূল টার্গেট। তার সাথে মাস ছয়েক আগেই চুক্তি হয়েচিল বার্সার। তবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসে গত মাসে। এ তারকাকে আয়াক্স থেকে আনতে বার্সার খসেছে ৭৬ মিলিয়ন ইউরো।

নিকোলাস পেপে: পিএসজি ও নাপোলিকে টপকে নিকোলাস পেপেকে কিনে নিয়েছে আর্সেনাল। লিলি থেকে ২০ বছরের এই তরুণকে ভেড়াতে আর্সেনালের খরচ হয়েছে ৭২ মিলিয়ন ডলার। পেপের সাথে ৫ বছরের চুক্তি করেছে ইংলিশ লীগের দলটি। ক্লাবের ইতিহাসে কোনো তারকার পেছনে এটিই তাদের সর্বোচ্চ খরচ।

জোয়াও কনসেলো: জুভেন্টাস থেকে এ তারকাকে ভেড়াতে ম্যানচেস্টার সিটির খরচ হয়েছে ৬৫ মিলিয়ন। দুই ক্লাবের চুক্তি পাঁচ বছরের। সিটির ইতিহাসের সবচেয়ে দামি ডিফেন্ডার এখন কনসেলো।

ডি লাইট: আয়াক্স থেকে এই তারকাকে দলে ভেড়াতে বেশ বেগ পেতে হয়েছে জুভেন্টাসকে। কারণ তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল বার্সেলোনা ও পিএসজি। তবে সবাইকে ছাপিয়ে ৬৫ মিলিয়নে এ তরুণকে দলে টেনেছে জুভেন্টাস।

মন্তব্য লিখুন :