স্মিথের সামনে বিশ্বরেকর্ড গড়ার সুযোগ

২০১৮ সালে বল টেম্পারিংয়ের দায়ে ১ বছরের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছিলেন তৎকালীন অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক স্টিভ স্মিথ। এরপর নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে মাঠে ফেরেন ওয়ানডে বিশ্বকাপের ঠিক আগ মুহূর্তে। তবে গত ১৭ মাসে কোনো টেস্ট ম্যাচ খেলতে পারেননি তিনি। আগস্টে অ্যাশেজ দিয়ে টেস্ট খেলার সুযোগ পান।

তিনি যখন ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে নামেন তখন ব্যাটিং র‌্যাংকিংয়ে ছিলেন ৪ নম্বরে। তবে ২ টেস্ট খেলার পরই চলে আসেন শীর্ষস্থানে। এর কারণ জীবনের সেরা ফর্মে আছেন এই তারকা ব্যাটসম্যান।

স্মিথের সামনে আপাতত রয়েছে নিজেকে ছাড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ। তার রান এখন ৬৭১। আর ১৭ রান করতে পারলেই নিজের সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবেন তিনি।

শুধু নিজেকে ছাড়ানো নয় অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যানের হাতে আছে বিশ্বরেকর্ড গড়ার সুযোগও। অ্যাশেজের ইতিহাসে এক সিরিজে সর্বোচ্চ ৯৭৪ রান করেছেন ডন ব্রাডম্যান। তিনি খেলেছেন ৭ ইনিংস। এটা শুধু অ্যাশেজ নয় এক সিরিজে সর্বোচ্চ রান করার বিশ্বরেকর্ডও।

এরপর ৯ ইনিংসে ৯০৫ রান আছে হারমল্ডের। স্মিথ এখন বেশ নিচের সারিতেই আছেন। তবে তার কাছে সুযোগ আছে বিশ্বরেকর্ড গড়ার। শেষ ম্যাচে ৩০৪ রান করতে পারলেই সবাইকে ছাপিয়ে যাবেন। স্মিথের যা ফর্ম তাতে এ রান করা অসম্ভব কিছু হবে না।

এবারের সিরিজে ৫ ইনিংসের মধ্যে তার রয়েছে দুইটি সেঞ্চুরি আর একটি ডাবল সেঞ্চুরি। তার সর্বনিম্ন রান ৮২। অ্যাশেজের প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে ১৪৪ রানের একটি ঝকমকে ইনিংস খেলেন তিনি। ২১৯ বল ফেস করে ১৬ চার আর দুইটি ছয়ের সাহায্যে এই রান করেন।

এরপর দ্বিতীয় ইনিংসে তার ব্যাট থেকে আসে ১৪২ রান। ২০৭ বল মোকাবেলা করে তিনি এই রান করেন।

এরপর দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে করেন ৯২ রান। তবে ৮৩ রানের সময় মাথায় গুরুতর চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল তাকে। ২ ঘন্টা পর মাঠে নামলেও এলোমেলো আচরণ করছিলেন তিনি। যে কারণে ৯ রানের বেশি যোগ করতে পারেননি।

আউট হওয়ার পরই তাকে ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। এর ২০ ঘন্টা পর তিনি কয়েকবার জ্ঞানও হারান। যে কারণে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে পারেননি। মাঠে নামতে পারেননি তৃতীয় টেস্টেও।

তবে চতুর্থ টেস্টে মাঠে নেমেই করেন বাজিমাত। প্রথম ইনিংসে ৩১৯ বলে করেন ২১১ রান। এ সময় ২৪ চার আর দুইটি ছয় মারেন। আর চতুর্থ ইনিংসে আউট হওয়ার আগে করেন মূল্যবান ৮২ রান।

মন্তব্য লিখুন :