টি-২০ তে ৪৩৪ রানের ম্যাচ, ছক্কার রেকর্ড

চরম উত্তেজনাপূর্ণ এক ক্রিকেট ম্যাচের সাক্ষী হলো বিশ্ব। মার্টিন গাপটিলের সর্বোচ্চ ছক্কা হাঁকানোর ম্যাচে দুই দলের রান হয়েছে ৪৩৪। ম্যাচে মোট ছয় হয়েছে ৩১টি।

পাঁচ ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে শেষ হাসি হেসেছে নিউজিল্যান্ড। অস্ট্রেলিয়াকে ৪ রানের রোমাঞ্চকর হার উপহার দিয়ে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল কিউইরা।

টস হেরে এর আগে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ২০ রানের ওপেনার টিম সেইফার্টের উইকেট হারায় নিউজিল্যান্ড। তবে এরপর অধিনায়ক উইলিয়ামসনকে নিয়ে ১৩১ রানের জুটি গড়েন গাপটিল। ১৬তম ফিফটি করা ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান ৫০ বলে ৯৭ রান করে স্যামসের বলে ফেরেন।

সেঞ্চুরি না পাওয়ার আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছাড়লেও অসাধারণ একটি কীর্তি গড়েছেন তিনি। ৮টি ছক্কা হাঁকিয়ে সর্বোচ্চ ওভার বাউন্ডারির মালিক হলেন। বর্তমানে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে তার ছক্কার সংখ্যা ১৩২টি। পেছনে ফেলেছেন ১২৭টি ছক্কা হাঁকানো রোহিত শর্মাকে।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৫ বলে ৫৩ করেন উইলিয়ামসন। ১৩তম ফিফটির দেখা পাওয়া এই তারকা ২টি চার ও ৩টি ছক্কা মারেন। শেষদিকে ঝড় তোলেন নিশাম। ১৬ বলে তিনি ৪৫ করে অপরাজিত থাকেন। মাত্র একটি চার মারলেও তিনি ৬টি ছক্কা হাঁকান।

অজি বোলারদের মধ্যে কেইন রিচার্ডসন সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট পান। এছাড়া স্যামস, ঝাই রিচার্ডসন ও অ্যাডাম জা্ম্পা একটি করে উইকেট নেন।

২২০ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে দারুণ লড়াই করে সফরকারী অস্ট্রেলিয়া। দুই ওপেনার ভালো না করলেও তিন নাম্বারে নামা জস ফিলিপ ৩২ বলে ৪৫ রানের ইনিংস খেলেন। তবে সপ্তম উইকেট জুটিতে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টির ইতিহাসে রেকর্ড গড়েন মাকার্স স্টোইনিস ও ডানিয়েল স্যামস।

ইনিংসের শেষ ওভারে জয়ের জন্য অজিদের ১৫ রান দরকার হলেও তারা তুলতে পারে ১০ রান। ৩৭ বলে ৭৮ রান করে স্টোইনিস। ৭টি চারের পাশাপাশি তিনি ৫টি ছক্কা হাঁকান। আর ১৫ বলে ২টি চার ও ৪টি ছক্কায় ৪১ রান করেন স্যামস।

কিউই বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৪টি উইকেট পান স্পিনার মিচেল স্যান্টনার। নিশাম ২টি এবং টিম সাউদি ও ইশ সোধি একটি করে উইকেট দখল করেন।