অধ্যক্ষের লাগাতার ধর্ষণের শিকার ৩০ ছাত্রী-শিক্ষিকা

আতাউল্লা মারওয়াত নামে পাকিস্তানের পেশোয়ারের একটি বেসরকারি স্কুলের প্রিন্সিপালকে অন্তত ৩০ শিক্ষার্থী ও শিক্ষিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে ১০৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। শুধু ধর্ষণই নয় এই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের ভিডিও ধারণেরও অভিযোগ রয়েছে।

জানা যায়, গত জুলাইতেই এক শিশু ছাত্রী প্রথমবার ওই প্রিন্সিপালের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও যৌন হেনস্তার অভিযোগ আনে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসলে তদন্তে নামে পুলিশ। তদন্তে তারা জানতে পারে ওই প্রিন্সিপাল অন্তত স্কুলের ছাত্রী ও শিক্ষিকাসহ ৩০ জনকে ধর্ষণ করেছে।

জানাগেছে, স্কুল চত্বরে চলত ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতন। কখনো কখনো আবার ছাত্রী ও শিক্ষিকাদের তুলে নিয়ে যেত আতাউল্লা। সময় সুযোগ মতো ধর্ষণের ভিডিও তুলে রাখত সে। পরে সেই ভিডিও দেখিয়ে আবার চলত ব্ল্যাকমেলও। নির্যাতিতাদের কেউ কথা বললেই ভিডিও ফাঁস করে দেওয়ার ভয় দেখাত প্রিন্সিপাল।

লোকলজ্জার ভয়ে এই অত্যাচার মেনেই নিয়েছিলেন শিক্ষিকারা। তবে খুদে পড়ুয়ারা মাঝেমধ্যেই কান্নাকাটি করত। প্রিন্সিপালের ফতোয়া ছিল, কোনোভাবে অভিভাবক বা অন্য কাউকে এই যৌন নির্যাতনের  কথা জেনে যান, তাহলে প্রাণে মেরে ফেলা হবে। এভাবেই চলে আসছিল।

পুলিশ জানিয়েছে, স্কুলেরই তিনটি ঘর প্রায় নিজের দখল রেখেই অপকর্ম চালাত প্রিন্সিপাল। তল্লাশিতে নেমে সংশ্লিষ্ট ওই তিনটি ঘর থেকে ২৬টি ধর্ষণের ভিডিও উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মন্তব্য লিখুন :