নেশার জগতে নতুন সংযোজন ‘স্যানিটারি ন্যাপকিন’!

এতদিন নেশার জন্য ব্যবহার করা হত ড্রাগ, অ্যালকোহল ইত্যাদি। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল আরও একটি নাম, স্যানিটারি ন্যাপকিন। যা বদলেছে আসক্তির সংঙ্ঘাকে।

সম্প্রতি, ইন্দোনেশিয়ায় দেখা দিয়েছে ট্রেন্ডটি। ইন্দোনেশিয়ার টিনএজাররা নেশার জন্য স্যানিটারি ন্যাপকিন এবং কটনপ্যাডের সেদ্ধ করা জুস খাচ্ছে। যার ফলে নাকি ভাল নেশা হচ্ছে। আর, সেই নেশাতেই ডুবেছে ইন্দোনেশিয়া।

একাধিক সংবাদ মাধ্যমেই খবরটি প্রকাশিত হয়েছে। সংবাদ মাধ্যমের তথ্য জানাচ্ছে, অনেককেই বিষয়টি অবাক করেছে। দেশের মধ্যে এই ধরণের আসক্তির ট্রেন্ড ধীরে ধীরে বাড়ছে। যেখানে সস্তা নেশার জন্য ছেলেমেয়েরা ব্যবহৃত ও অব্যবহৃত স্যানিটারি ন্যাপকিনের সেদ্ধ করা জুস খাচ্ছে। কিন্তু, কেন এই ধরণের ফর্মুলা ব্যবহার হচ্ছে নেশার জন্য? উত্তর খুঁজতে গিয়ে উঠে আসে একাধিক তথ্য।

ইন্দোনেশিয়া ন্যাশানাল ড্রাগ এজেন্সির (বিএনএন) রির্পোট জানাচ্ছে, স্যানিটারি প্যাডের এই জুসের মধ্যে ক্লোরিন থাকে। যেটি মানবদেহে একপ্রকার হ্যালুসিয়েশন এবং তীব্র নেশার অনুভূতি জাগায়। যার ঘোরে আচ্ছন্ন ইন্দোনেশিয়ার টিনএজাররা। অন্য একটি রির্পোটের তথ্য জানাচ্ছে, ইতিমধ্যেই জাভাতে বেশ কিছু টিনএজারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যারা স্যানিটারি প্যাডের সেদ্ধ জুস খেয়ে নেশা করেছিল।

কিন্তু, কীভাবে বানানো হয় এই নেশার জিনিসটি? উত্তরে সংবাদ মাধ্যমকে এক ১৪ বছরের ছেলে জানিয়েছে, প্রথমে স্যানিটারি প্যাডকে ৩০ মিনিট ধরে ফোটানো হয়। তারপর, তার থেকে বের করে নেওয়া হয় জুস। যেটি কনটেনারে ভরে রেখে দেওয়া হয়। স্বাদ তেতো। প্রায় সারা দিন ধরেই এই জুস খেতে থাকে টিনএজাররা। জানা গিয়েছে, মূলত দরিদ্র পরিবার এবং পথের বসবাসকারী ছেলেময়েরাই এই নেশাতে আসক্ত হয়ে পড়েছে।

মন্তব্য লিখুন :